Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

শেষ বিতর্কে মুখোমুখি ট্রাম্প-বাইডেন

।। প্রথম কলকাতা ডেস্ক ।।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে শেষ বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী সাবেক ওবামা প্রশাসনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে এটিই ছিল চূড়ান্ত বিতর্ক। টেনেসি অঙ্গরাজ্যের বেলমন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কের আয়োজন করা হয়। শুরুতেই করোনাভাইরাস নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন দুই প্রার্থী।

করোনার প্রসঙ্গ উলে­খ করে জো বাইডেন বলেছেন, দেশের দুই লাখ মানুষের মৃত্যুর দায়িত্ব যিনি নিতে পারেন না তাঁর দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে থাকার কোনো অধিকার নেই। উত্তরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি আবার লকডাউনের পক্ষে নন। লকডাউন নয় ভাইরাসকে বন্ধ করতে হবে।

বিতর্কমঞ্চের শুরুতে দুই প্রার্থীর কেউ কাউকে বাধা দেননি। বিতর্ক ভালোভাবে পরিচালনার জন্য সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েকারের প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। বিভিন্ন ইস্যুতে দুই প্রার্থীর মধ্যে বিতর্ক চলে।

জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে বাইডেন বলেন , যুক্তরাষ্ট্রে দেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা যে দেশই করবে তাদের মূল্য দিতে হবে। এটা আমেরিকার সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।

ট্রাম্পের কর পরিশোধ না করার সমালোচনা করেন বাইডেন। জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি লাখ লাখ ডলার কর আগেই পরিশোধ করেছেন। আগের অবস্থানে অনড় থেকে ট্রাম্প বলেন, তিনি আইআরএস অডিট করার পর ট্যাক্স রিটার্ন প্রকাশ করবেন। তবে তা কবে করবেন তা জানাননি।

ইউক্রেনে বাইডেনের ছেলের ব্যবসা নিয়ে অভিযোগ ছুড়ে দেন ট্রাম্প। বাইডেন বলেন, এ বিতর্ক ট্রাম্প বা তাঁর পরিবারের নয়। এ বিতর্ক আমেরিকার জনগণের স্বার্থ নিয়ে।

জো বাইডেন ওবামা কেয়ারকে শক্তিশালী করে ওষুধের মূল্য কমানো ও জনগণের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করার পরিকল্পনার কথা বলেন।

নব্বই মিনিটের বির্তকে মোট ছয়টি ইস্যুতে প্রত্যেক বক্তাকে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য দেয়া হয়েছে দুই মিনিট করে। বিতর্ক শুরু করার আগে দুই প্রার্থীরই করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে।

সিএনএন বলছে এই বিতর্কেও জো বাইডনের পাল­াভারী। ২৯ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ও বাইডেনের প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এই বিতর্কে কথা বলার সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতির জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দায়ী করা হয়। বিতর্কটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে লজ্জাজনক প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্ক বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের করোনা সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় বিতর্ক ভার্চ্যুয়াল করার প্রস্তাব দিয়েছিল বিতর্ক কমিশন। ট্রাম্প তাতে বেঁকে বসেন। দ্বিতীয় বিতর্কটি বাতিল হয়ে যায়।

পিসি/