এবার বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার খরচের রাশ টানতে নয়া উদ্যোগ স্বাস্থ্য কমিশনের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

স্বাস্থ্য কমিশন এবার অ্যাডভাইজ়রির সাহায্যে বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার খরচে রাশ টানতে পারে। সেকারনে জারি হয়েছে আট দফা অ্যাডভাইজ়রি। স্বাস্থ্য কমিশন সূত্রের জানা গেছে, সব ঠিক থাকলে খরচের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়ার জন্য আরও দু’টি নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে। আর এই দুই নির্দেশিকার কারনেই অন্য রাজ্যের তুলনায় এরাজ্যে করোনা চিকিৎসার খরচ অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য কমিশন।

উল্লেখ্য অন্য রাজ্যগুলির নির্দেশিকায় আইসোলেশন বা সাধারণ শয্যার প্রতিদিনের খরচ, আইসিইউ ভেন্টিলেটর যুক্ত এবং ভেন্টিলেটর ছাড়া হলে কত খরচ হবে, কী ধরনের ল্যাব পরীক্ষার জন্য আলাদা করে টাকা দিতে হবে কি না এসবের উল্লেখ করা আছে। তবে এ রাজ্যে এ ধরনের কোনও নির্দেশিকা এখনও জারি হয়নি। সরকার অধিগৃহীত কোভিড হাসপাতালে ১৪ দিন পর্যন্ত করোনা চিকিৎসার খরচে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে তা আবার সব বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের ফি, পিপিই-সহ কোভিড প্রোটেকশন চার্জ, নমুনা পরীক্ষার খরচ বেঁধে দেওয়ার সংক্রান্ত একের পর এক অ্যাডভাইজ়রি জারি করেছে কমিশন।

এবার দেখে নিন পশ্চিমবঙ্গ সরকার অধিগৃহীত কোভিড হাসপাতালের খরচ সংক্রান্ত নির্দেশিকাঃ-
আইসিইউ প্রথম দিন ২২২০০ টাকা। অন্য দিন (সর্বোচ্চ ১৩ দিন) ১৪২০০ টাকা।
আইসোলেশন বেড প্রথম দিন ২১৬০০ টাকা। অন্য দিন (সর্বোচ্চ ১৩ দিন) ১৩৬০০ টাকা।
প্যাকেজের সঙ্গে: ভেন্টিলেটর, সি/বি প্যাপ, চিকিৎসকের পরামর্শ বাবদ ফি, ল্যাবপরীক্ষা (কো-মর্বিডিটি রোগীর ক্ষেত্রে খরচে তারতম্য হতে পারে), ওধুধের (কো-মর্বিডিটি থাকলে খরচে তারতম্য) খরচ।
প্যাকেজে যা নেই: করোনা পরীক্ষা, অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই’র খরচ।

স্বাস্থ্য কমিশনের অ্যাডভাইজ়রিঃ-
নমুনা পরীক্ষার খরচ ২২৫০ টাকার বেশি নয়। বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহে অতিরিক্ত টাকা নয়। যাতায়াতের খরচ হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে ১৫ টাকা।
কোভিড প্রোটেকশন চার্জ (পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার-সহ স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সব উপাদানই) দিনে ১০০০ টাকার বেশি নয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ বাবদ খরচ সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা।
এছাড়া দামী ব্র্যান্ডের অ্যান্টিবায়োটিক, ওষুধ ব্যবহারের আগে রোগীর পরিজনদের মতামত নিতে হবে। একই ওষুধ কম দামেও পাওয়া যায়। তাই রোগীর পরিজনদের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে সেই ওষুধ ব্যবহার করতে চান কি না।

কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জন্য কয়েকটি বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারঃ-
সার্বিক হেল্পলাইন নম্বর: ১৮০০ ৩১৩ ৪৪৪ ২২২
টেলিমেডিসিন সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩-২৩৫৭৬০০১
কোভিড-১৯ আক্রান্তদের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩-৪০৯০২৯২৯)