তিন বছরের বাচ্চাকে স্কুলে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হোক এই ভাবে

1 min read

।। সুদীপা সরকার ।।

জন্মের পর থেকেই শিশুর শিক্ষা নিয়ে মা-বাবা টেনশনে সব সময় পড়ে থাকেন। ছোট্ট পরিসরে ফ্ল্যাট সবুজ ইনকমপ্লিট এই ক্ষুদ্র পরিবেশে শিশুদের সময় কাটে হয় টেলিভিশন নয় ইন্টারনেটে। এই পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুরা অমনোযোগী জেদি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে। আবার তারা তিন বছরে পা দিলেই বড় স্কুলে ভর্তি করার চাপ তো আছেই।

বাড়ি চাপে অনেক শিশুর মনে ভয় ঢুকে যায়। সব বাবা মা চায় তাদের বাচ্ছাকে সবচেয়ে ভালো স্কুলটিতে পড়তে পারে। কিন্তু প্রতিযোগিতা এখন সর্বত্র। বাবা মার মনে যে চিন্তাগুলো ঘুরপাক খায় সেগুলো প্রভাব অনেক সময় শিশুদের উপর গিয়ে পড়ে। বাচ্চার মস্তিষ্কের বিকাশ তার ব্যক্তি সম্পর্কগুলি অভিজ্ঞতা এবং পারিপার্শ্বিক এর উপর নির্ভর করে।

আরো পড়ুন : সময় নিয়ে ভাবুন আপনার সন্তানের ক্যারিয়ারের কথা

শিশুর উপরে যেন ভালো ফল করা বা তাড়াতাড়ি শেখার জন্য কোনো রকম মানসিক চাপ না পড়ে। একটি ভালো প্রি স্কুল শিশুকে প্রয়োজনীয়তা সহায়তা দেয় যাতে সে নতুন কিছু শেখার আনন্দ উপভোগ করতে পারে। কিন্তু সবার প্রথমে আপনার বাচ্চাকে বাড়িতেই এবিসিডি শেখানো উচিত।কারণ বাংলার চেয়ে ইংরেজি ভাষা অনেক সহজ। এরপর ধীরে ধীরে ১ , ২৩, অ-আ-ক-খ শেখানো শুরু করুন। পাঁচ বছর অব্দি এগুলি ঘরে শেখানো বেশি ভালো।

কারণ তিন বছর বয়সী বাচ্চাদের স্কুলে দিলেই গতানুগতিক গণ্ডির মধ্যে তাদের বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণত অধিকাংশ শিশুর ক্ষেত্রে পড়তে শেখার প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত এবং ঠিক ততটা দ্রুততার সাথে লেখা শেখার বিষয়টি এগোয় না। এক্ষেত্রে শিশুকে চক পেন্সিল হাতে দেওয়ার আগে যদি বিভিন্ন খেলার সামগ্রী দিয়ে বা ছোট ছোট খেলনা দিয়ে বর্ণমালা তৈরী করতে শেখান তবে তার প্রাথমিক ভিত টা সহজেই তৈরি হয়ে যাবে।

Categories