হাথরাস-কাণ্ডে ধর্ষণ হয়নি, দাবি উত্তর প্রদেশ পুলিশের

1 min read

।। সুদীপ মান্না ।।

উত্তর প্রদেশের হাথরাসে গণধর্ষণ ও অত্যাচারের শিকার হওয়ার বেশ কিছুদিন পর যুবতীর মৃত্যু হয়। তাকে ফাঁসি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সে নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়, তার সার্ভিকাল মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট লাগে বলে অটোপসি রিপোর্টে প্রকাশ। চূড়ান্ত ডায়াগনসিসে ধর্ষণের উল্লেখ নেই, তবে রিপোর্টে তার গোপনাঙ্গে ক্ষতের উল্লেখ রয়েছে।

যদিও উত্তর প্রদেশ পুলিশের দাবি, তার ভিসেরার ফরেন্সিক রিপোর্টে প্রমাণ হয়েছে, সে ধর্ষিতা হয়নি। “পোস্ট-মর্টেম রিপোর্ট বলছে, তার মৃত্যু হয়েছে গলার জখমের কারণে। ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির রিপোর্টে নমুনায় কোনও বীর্য পাওয়া যায়নি। এতে প্রমাণ হচ্ছে, জাতপাত-ভিত্তিক উন্মাদনা তৈরি করতে কিছু মানুষ ব্যাপারটাকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে। এই ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হবে ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওযা হবে।“ দাবি করছেন উত্তর প্রদেশ পুলিশের এডিজি প্রশান্ত কুমার। বিশেষজ্ঞদের দাবি, নমুনা নেওয়া হয়েছে ঘটনার অনেক দিন পর এবং তাতে বীর্য না থাকারই কথা।

প্রসঙ্গতঃ হাথরসে গণধর্ষণের ২ সপ্তাহ পর দিল্লির হাসপাতালে মঙ্গলবার মৃত্যু হয় নির্যাতিতার। মঙ্গলবার রাতেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করে পুলিশ। অভিযোগ, মৃতের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনকে বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনেক কাকুতি-মিনতি সত্ত্বেও নির্যাতিতার মা ও পরিবারকে মেয়েকে শেষ দেখাও দেখতে দেওয়া হয়নি।