“১৯৬২-র পর সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি”: লাদাখ নিয়ে বিদেশমন্ত্রী

1 min read

।।সুদীপ মান্না, প্রথম কলকাতা।।


পূর্ব লাদাখে চিনের সঙ্গে চলা অচলাবস্থা “নিশ্চিতভাবে ১৯৬২-র পর সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি”। ১৯৬২-র ভারত-চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে বললেন বিদেশ মন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর।

একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে জয়শঙ্কর বলেন, “প্রকৃতপ্রস্তাবে ৪৫ বছর পর এই সীমান্তে আমাদের সেনারা হতাহত হয়েছেন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দুধারেই বর্তমানে যে পরিমাণে বাহিনী মোতায়েন আছে তা অভূতপূর্ব।“

ভারত ও চিনের মধ্যে বেশ কয়েকবার সামরিক ও কূটনৈতিক বৈঠক হয়েছে, কিন্তু পূর্ব লাদাখের কয়েকটি অংশে খুব কম পরিমাণেই সেনা সরেছে।

ভারত ও চিনা বাহিনীর মধ্যে উদ্বেগজনক অচলাবস্থা জারি রয়েছে মে মাস থেকেই। ১৫ই জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা বাহিনীর সঙ্গে মারাত্মক সংঘাতে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছিলেন।
বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, ভারত চিনকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিরাবস্থাই হল দুই প্রতিবেশির মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি।

তিনি বলেন, অতীতে সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে কূটনীতির মাধ্যমে। এই প্রসঙ্গে তিনি ডেপসাং, ছুমার ও ডোকলামের উল্লেখ করেন।

বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, চিনের সঙ্গে চলা অচলাবস্থা সমাধানের সম্ভাবনা রয়েছে, যদি একপাক্ষিকভাবে স্থিতাবস্থা লঙ্ঘন না করে সমস্ত চুক্তি ও বোঝাপড়াকে সম্মান করা হয়।

বছরের পর বছর আলোচনা চালিয়েও পশ্চিমাঞ্চলে লাদাখের তুষার মরুভূমি থেকে পূর্বের ঘন জঙ্গল ও পর্বতগুলি পর্যন্ত ৩৪৮৮ কিমি দীর্ঘ সীমান্ত নিয়ে ভারত ও চিন কোনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেনি এখনও।