Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

তৃণমূল একটা পকেটমারকে মুখপাত্র বানিয়েছে, কুণালে ব্যাপক অসন্তুষ্ট শোভন

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বিজেপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় (Shovon Chatterjee) । সেই সঙ্গে তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baishakhi Banerjee) একইভাবে সক্রিয় হয়েছেন। বৃহস্পতিবার হেস্টিংসের বিজেপির নতুন কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন শোভন। সেখানে তিনি তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে। উল্লেখ্য কুণালের অভিযোগ, আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যুক্ত আছেন শোভন। তাই তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। এই বিষয়ে সুর চড়িয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তিনি বলেন,” তৃণমূল (tmc )একটা পকেটমারকে ধরে এনে মুখপাত্র করেছে। আগে কোনদিন রাজনীতিতে ছিল না। সাংবাদিকতা করত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওকে সাংসদ করেছে। মানুষ ওকে জানে। বাসে উঠলে দেখবেন কোনো পকেটমার ধরা পড়লে সে অন্য লোককে উদ্দেশ্য করে চিৎকার করতে থাকে পকেটমার ধরা পড়েছে একথা বলে।

এভাবে সে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে চায়। কুণাল সেই কাজটা করার চেষ্টা করছে। চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে কুণাল ঘোষের ভূমিকার কথা সবাই জানে। এই কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন জেল খেটেছে। তার অভিযোগের উত্তর আমি কি দেব? মনে রাখবেন কুণাল ঘোষের সার্টিফিকেট আমার প্রয়োজন নেই। মানুষ সবটা বুঝতে পারছেন। আমি 36 বছর ধরে জনপ্রতিনিধি রয়েছি কলকাতায়। তাই মানুষ জানে আমার ভূমিকার কথা। সেখানে কুণাল ঘোষের কথা কেউ শুনবেন না। শীঘ্রই দুধ কা দুধ, পানি কা পানি হয়ে যাবে”। সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল মুখপাত্রকে তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে আক্রমণ করে গিয়েছেন। দুটি সংবাদপত্রের নাম উল্লেখ করে শোভন বলেন, এই কাগজ দুটিতে যুক্ত ছিল। প্রচুর টাকা বেতন হিসেবে নিত। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে টাকা পেত।

আরো পড়ুন : বাগবাজারে আগুনের পরেই জমি হাঙরের কথা তুললেন সাধন, কাকে নিশানা মন্ত্রীর?

ও একটা পকেটমার। আমি এতদিন তৃণমূলে ছিলাম। তখন কিছু বলেনি কেন? যেই বিজেপিতে এসেছি এসব বলা হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে। উল্লেখ্য সাম্প্রতিককালে প্রতিটি জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ তীব্র আক্রমণ করছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীকে (Subhendu Adhikari)। কুণালের সেইসব আক্রমণের জবাব এভাবেই এদিন দিয়েছেন শোভন। সেইসঙ্গে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলকে। শোভন বলেন, আমাকে কলকাত সাংগঠনিক জোনের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। দায়িত্ব নিয়ে বলছি বিজেপি খুব ভালো ফল করবে এখানে থাকা ৫১টি বিধানসভা আসনে। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, গত লোকসভা নির্বাচনে গায়ের জোরে তৃণমূল এই সমস্ত লোকসভা কেন্দ্রে জিতেছে। সামনের বিধানসভা নির্বাচনে সেটা হবে না। দলের সমস্ত শাখা সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে, সবার মতামত নিয়ে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।