সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের জন্য “কোটার মধ্যে কোটা”র অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

1 min read

।।সুদীপ মান্না, প্রথম কলকাতা।।


তপশিলী জাতি ও উপজাতিদের মধ্যেকার নির্দিষ্ট সম্প্রদায়গুলির সুবিধার্থে রাজ্যগুলিকে আইন বানানোর অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। বৃহস্পতিবার জানাল সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি ও শিক্ষায় সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই রায়ের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। যদিও শীর্ষ আদালত বলেছে, বিষয়টি আরও বৃহত্তর বেঞ্চের বিবেচনাধীন হওয়া উচিত। বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

তপশিলী জাতি ও উপজাতিদের জন্য “কোটার মধ্যে কোটা”র অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, উপস্থাপনের অপ্রতুলতার উপর ভিত্তি করে উপ-শ্রেণিবিন্যাস করার ক্ষমতা রাজ্যগুলির রয়েছে।

সুবিধাবঞ্চিতদের তুলে ধরতে উপ-কোটা(sub-quotas)র বন্দোবস্ত করার ক্ষমতা রাজ্যগুলির রয়েছে, জানিয়ে শীর্ষ আদালতের উদাহরণ, যেমন বাল্মীকি সম্প্রদায় তপশিলী জাতি ও উপজাতিদের জন্য প্রচুর সদর্থক কাজ হওয়া সত্ত্বেও এখনও নিপীড়িত রয়ে গেছে এবং দাসেদের মত হস্তকৃত জঞ্জাল সাফাইয়ে যুক্ত আছে।

শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, তাদের ২০০৪এর রায় যাতে বলা হয়েছিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও চাকরির কোটার ক্ষেত্রে তপশিলী জাতি ও উপজাতিদের মধ্যে আরও উপ-শ্রেণিবিভাগ করার ক্ষমতা রাজ্যগুলির নেই, সেটি খতিয়ে দেখা উচিত।

বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির বেঞ্চের বক্তব্য, এসসি ও এসটি এবং সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মধ্যেও বৈষম্য রয়েছে। একটি সাংবিধানিক বেঞ্চের ২০০৪এর রায় পূনর্মূল্যায়ন করতে বিষয়টি প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।