শোভন বাবুর উত্থান আমার জন্য, পতনের কারণ বৈশাখী : রত্না চট্টোপাধ্যায়

।। শর্মিলা মিত্র ।।

শোভন বাবুর উত্থান আমার জন্য, পতনের কারণ বৈশাখী। প্রথম কলকাতার এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউতে এইভাবেই বললেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টাপাধ্যায়ের স্ত্রী তথা ১৩১ নং ওয়ার্ডের অবজার্ভার রত্না চট্টোপাধ্যায়।

রত্না চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, তার আর শোভনবাবুর যখন বিয়ে হয় তখন শোভনবাবু শুধুমাত্র কাউন্সিলর ছিলেন। বিয়ের পর দু দুবার বোরো চেয়ার ম্যান থেকে শুরু করে জলের এমআইসি হন শোভনবাবু। তারপর কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়রও হন তিনি। শেষ অবধি মেয়র ও তিনটি পদে মন্ত্রী ছিলেন শোভনবাবু।

শোভনবাবুর রাজনৈতিক কেরিয়ারের উথ্থানে তাকে সবরকম সাহায্য করেছিল তার পরিবার। সাহায্য করেছিলেন স্বয়ং রত্নাদেবী নিজে।আজও শোভনবাবু ফিরে এলে তার রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিশ্চয়ই তাকে সাহায্য করবেন বলে জানান রত্না চট্টাপাধ্যায়।

পাশাপাশি, রত্না চট্টাপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করা হলে যে বাংলায় একটি প্রবাদ আছে যে একজন পুরুষের উত্থানের পিছনেও একজন মহিলা থাকে এবং একজন পুরুষের পতনের পিছনেও একজন মহিলা থাকে। শোভনবাবুর ক্ষেত্রেও কি এটা সত্যি ?

সেই প্রশ্নের উত্তরে রত্না চট্টাপাধ্যায় বলেন যে, তার তো সেটাই মনে হয়। কারন তাদের যখন বিয়ে হয় তখন কাউন্সিলর তারপর যখন তিনি রত্না দেবীকে ছেড়ে চলে যান তখন মেয়র পাশাপাশি তিনটি পদে মন্ত্রী ছিলেন শোভনবাবু।

তারপর পুরোপুরি ছেড়ে চলে যাবার পর এখন শোভনবাবুর একদম কিছু নেই সবকিছু হারিয়ে প্রায় রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিয়ে তিনি চুপচাপ ঘরে বসে আছেন। তাই এই উদাহরণটা শোভন চট্টাপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে ভালোভাবে দেওয়া যায় বলে মনে করন রত্না চট্টোপাধ্যায়।