পিকেকে দেওয়া টাকা কি চিটফান্ডের না বালি পাচারের, প্রশ্ন এই বিজেপি নেতার


।। রাজীব ঘোষ ।।

শুধু উত্তরবঙ্গে নয় সারা রাজ্যেই ভালো ফলাফল করেছি। লোকসভা নির্বাচনে ১৮ টি আসনে জয়লাভ করেছি। তিনটি আসনে জোর করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জেলার দায়িত্বে ছিলাম সেখানে দলের ভালো ফলাফল হয়েছে। ২০২১ এ সারা রাজ্যেই ভাল ফল হবে। প্রথম কলকাতায় লাইভ সাক্ষাৎকার এসে বললেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহর বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন উনি আগে স্থির করুন কোন দলটা করবেন। কখনো বলছেন যুব তৃণমূল মানে পয়সা তোলে কাটমানি খায় দুর্নীতি করে। উনি যদি দিনহাটায় জিততে পারেন তাহলে রাজনীতিতে আশ্চর্য ঘটনা ঘটবে। দিনহাটায় এক কার্যকর্তা খুন হয়েছেন সেখানে থানা ঘেরাও করা হবে। যে সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু হয়েছে মানুষ তার জবাব দেবে।

লোকসভা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন প্রার্থী ঘোষণা হয়ে গেছে। সব জায়গায় জিতবে। সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা পিকেকে দিয়েছেন। এই টাকাটা কি চিট ফান্ডের তোলাবাজির নাকি বালি পাচারের টাকা। বিহার থেকে একজনকে নিয়ে এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার জন্য। জনগণের টাকা খরচ করছেন। আমাদের প্রশ্ন পিকের দলকে এই টাকা দেওয়া হল কেন।

এই টাকায় কোভিডের চিকিৎসা হতে পারত।এই টাকায় রাজ্যের গরিব মানুষের অন্নের ব্যবস্থা করা যেত। খেলা মেলা উৎসব এর জন্য পয়সা খরচ করতে পারেন তাহলে সাধারন মানুষের জন্য পয়সা নেই কেন প্রশ্ন সায়ন্তনের। তার কথায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছেন না। ডিএ বাড়াতে পারছেন না।

কখনো স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্দোলন করছেন স্থায়ী চাকরির দাবিতে শিক্ষক আন্দোলন করছেন। পিকেকে সাড়ে ৫০০ কোটি না দিয়ে সেই টাকা তো শিক্ষকদের দিতে পারতেন। ক্লাবগুলোকে না দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারতেন। পয়সা দিয়ে ভোট করা যায় না। কাউকে ভাড়া করে ভোট করা যায় না। ভোট মানুষের কাছ থেকে নিতে হয়। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উন্নয়নের কাজ তুলে ধরব। তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচার শোষণ দুর্নীতি এগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে।