Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাংলার মানুষ বরণ করেছেন, মন্তব্য দিলীপের

।। বাপি মণ্ডল ।।

তিন দফা ভোটে হিংসা এড়ানে যায়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। রাজ্যের শাসক দলও আক্রমণের নিশানা করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। অথচ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তা নস্যাৎ করে দিলেন। তিনি সরাসরি বললেন, ‘বাংলার মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বরণ করে নিয়েছেন। তাঁরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপর পুষ্পবৃষ্টি করেছেন।’

বুধবার উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল আজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নানা কথা বলছে। অথচ এই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরে ভরসা করে তারা দুটো নির্বাচন জিতেছে।

আজ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তৃণমূল ভয় পাচ্ছে। কিন্তু বাংলার মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে খুশি। যেদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পা রেখেছিল, মহিলারা ফুল দিয়ে তাঁদের বরণ করেছিল। পুষ্পবৃষ্টি করেছিলেন। তৃণমূল ভয় পেয়েছে, বলে যা খুশি তাই বলছে।’

মুখ্যমন্ত্রীকে ‘দিদি, ও দিদি’ সম্ভাষণকে তৃণমূল অপমানজনক বলছে। সেই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ বলেন, ‘আমরা তো দিদির নীচে নামিনি। প্রধানমন্ত্রীও তাঁকে (মমতা) দিদি বলেছেন। কিন্তু তাঁর সেটা ভালো লাগছে না। আসলে তার দল ও মন ভালো নেই। মন ভালো না থাকলে ভালো কথাও ভালো লাগে না। দিদির সেটাই হয়েছে।’

আরো পড়ুন : কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজে ক্ষুব্ধ সব রাজনৈতিক দল, খুশি ভোটাররা

নির্বাচনে হিংসা সম্পর্কে দিলীপের মত, ‘রাজ্যে হিংসা আগেও ছিল। এখনও আছে। আগে সিপিএম এই হিংসাটা চালু করে গিয়েছিল। পরে তৃণমূল সেটা করছে। নির্বাচনে পরিবর্তন হবে। হিংসাও বন্ধ হবে।’ তৃতীয় দফায় ৩১টি আসনকে দিলীপ ‘ড্রাই জোন’ বলে মন্তব্য করেন। তারপর তিনি বলেন, ‘এই ড্রাই জোনের ভোটেও আমরা পঞ্চাশ শতাংশের বেশি আসনে জিতব।’

উত্তরবঙ্গে তৃণমূল ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলছে। সে ব্যাপারে বিজেপির রাজ্য সভাপতির কটাক্ষ, ‘ঘুরে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, তৃণমূল উঠে দাঁড়াতেই পারবে না।’ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের হেলিকপ্টারে আসা সম্পর্কে তৃণমূল কটাক্ষ করছে। সে ব্যাপারে দিলীপের বক্তব্য, ‘তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া নেতা নেই। আমাদের অনেক নেতা আছে।

তাই সবাই আসছেন।’ সব শেষে মুখ্যমন্ত্রীর হুইল চেয়ার সম্পর্কে দিলীপের কটাক্ষ, ‘ভোট শেষ হলেই তিনি উঠে দাঁড়াবেন। ২ মের পর চেয়ারও থাকবে না। আমরা চাই মুখ্যমন্ত্রী তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন। হুইল চেয়ারে তো আর লড়াই হয় না।’