Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

মে মাস আসছে, তাই জেলগুলি পরিষ্কার করছে রাজ্য, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ দিলীপের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বিজেপি (bjp) এরাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূলের বহু নেতা-নেত্রী জেলে যাবেন। এটা বহুদিন ধরেই বলছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি অতীতে বহুবার বলেছেন, নিচু তলার তৃণমূলের নেতা নেত্রীরা যাবেন দমদম ও আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে। আর ওপরের মাথাদের যেতে হবে ভুবনেশ্বরে। সকলকে জগন্নাথদেবের দর্শন করিয়ে দেব। উল্লেখ্য চিটফান্ড কেলেঙ্কারি সম্পর্কিত মামলাগুলি চলছে ভুবনেশ্বর সিবিআই আদালতে। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ বারবার এমন কথা বলে থাকেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে। রবিবার বহরমপুরে জনসভা ছিল তাঁর। সেখানে এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিশানা করেছেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ বলেন,” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বারবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের কথা বলেন। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। আমরা তাঁর সুস্থতা কামনা করি। কিন্তু মনে রাখবেন লালুপ্রসাদ দুর্নীতির দায়ে জেলে রয়েছেন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পান। তাই নিজের মুখেই বলেন আমি প্রয়োজনে জেলে চলে যাব। আপনার চিন্তা নেই, আপনার ইচ্ছা আমরা পূরণ করব। মে মাস আসছে। তাই দেখছি জেলগুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। অথচ অন্য জায়গায় কাজকর্ম কিছু হচ্ছে না। শুধু জেল সংস্কারের কাজ চলছে।” এভাবেই তিনি বলার চেষ্টা করছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের তথা সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বকে জেলে যেতে হবে। তাই সেগুলি সংস্কারের কাজ চলছে।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের স্লোগান জয় বাংলা বলা যাবে কিন্তু জয় শ্রীরাম বলা যাবেনা, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ লোকেটের

এই ভাষাতেই তৃণমূলকে এদিন কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রতিনিয়ত তৃণমূলকে আক্রমণ করে চলেছে বিজেপি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিটি জনসভায় বা সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই অভিযোগ এনে তৃণমূলকে নিশানা করছেন। তাই এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে বলতে শোনা গিয়েছে,” সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় যখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন এখানে গণতন্ত্র ছিল না। তৃণমূল আসার পর অবস্থা বদলায়নি। চারদিকে হিংসা চলছে। এর পাশাপাশি তৃণমূল দুর্নীতিতে যুক্ত থাকছে প্রতিটি ক্ষেত্রে। দলের নেতা-নেত্রীরা দুর্নীতি করছেন। কাটমানি এবং সিন্ডিকেট রাজ রাজ্য জুড়ে চলছে।

অথচ আমরা দেখতে পাই তৃণমূলের একশ্রেণির নেতারা পুলিশের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছে। আসলে পুলিশকে কাটমানির অংশ দেয় তারা। আর বিজেপি এর প্রতিবাদ করলে আমাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গাঁজার কেস দেওয়া হচ্ছে। হাজার হাজার কর্মীকে এভাবে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি (bjp) আসলে পরিস্থিতির বদল হবে। রাজ্য সত্যিকারের পরিবর্তন হবে। বাংলায় শান্তি আসবে”। আর সেই প্রসঙ্গে দুর্নীতি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি কটাক্ষ করে বলেছেন, মে মাস আসছে বলেই আপনারা জেল সংস্কার করছেন। বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত যুযুধান দু’পক্ষের তরজা যে চলতেই থাকবে, সেটা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে না।