Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সরকারি ছাড়পত্র পাওয়া দুটি টিকার একটির এখনও কার্যকারিতার তথ্য মেলেনি

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ রবিবার জানালো তারা সরকারি ছাড়পত্র পাওয়া দুটি টিকার একটির তৃতীয় পর্যায়ের কার্যকারিতার তথ্য এখনও পায়নি।

ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা নিয়ে আইসিএমআর-এর অধিকর্তা ডাঃ বলরাম ভার্গব বলেন, সূচকগুলি এটির উচ্চ কার্যকারিতা দেখাচ্ছে, কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট তথ্য দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন কার্যকারিতার রিপোর্ট কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে।

যদিও ডাঃ ভার্গব জানিয়েছেন, কোভ্যাক্সিনের প্রাথমিক তথ্য যা প্রাণীদের মধ্যে গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে, বড় জন্তু ও ছোট জন্তুদের নিয়ে, প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যকারিতার তথ্য দেখাচ্ছে ব্যাপক মাত্রার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও নি্রাপত্তার তথ্য।

আরেকটি যে ওষুধ সরকারি ছাড়পত্র পেয়েছে সেটি হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা যেটি তৈরি করেছে সেরাম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়া।

পুনে-ভিত্তিক সেরাম ইন্সটিটিউটের প্রধান আদার পুনাওয়ালা বলেছেন, ফাইজার, মর্ডানা ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা – কেবল এই তিনটি টিকাই কাজ করে বলে প্রমাণ হয়েছে। বাকি সবগুলিই নিরাপদ বলে প্রমাণ হয়েছে – যেমন জল নিরাপদ। কিন্তু কার্যকারিতা – যা জানায় একটি টিকা কতটা ভালোভাবে কাজ করবে – ৭০, ৯০, ৮০ শতাংশ – তা শুধু এই টিকা তিনটির ক্ষেত্রেই প্রমাণিত হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ কৃষ্ণ এলা বলেছেন, “কোভাক্সিন একাধিক ভাইরাল প্রোটিনকে শক্তিশালী প্রতিরোধক প্রতিক্রিয়া সহ দুর্দান্ত সুরক্ষা তথ্য তৈরি করেছে যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।”

“কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের মানব ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মাঝ-নভেম্বরে শুরু হয়েছে, টার্গেট রয়েছে দেশজুড়ে ২৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে কাজ করা হবে। এটি ভারতের প্রথম ও একমাত্র একটি কোভিড টিকার তৃতীয় পর্যায়ের কার্যকারিতার গবেষণা। এবং ভারতের বৃহত্তম তৃতীয় পর্যায়ের কার্যকারিতার গবেষণা কোনও টিকার জন্য। কোভ্যাক্সিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রায় ১ হাজার সাবজেক্টের ওপর মূল্যায়ন করা হয়েছে যাতে প্রতিশ্রুতিময় নিরাপত্তা ও রোগ প্রতিরোধের ফলাফল পাওয়া গেছে। যা আম্তর্জাতিক জানার্লে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে,”  বলা হযেছে ভারত বায়োটেকের বিবৃতিতে।

আইসিএমআর অধিকর্তা ডাঃ ভার্গব জানিয়েছেন, আশা করা যায় এক সপ্তাহের মধ্যে টিকা বের হতে শুরু করবে। যদিও এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকারই।