মুরগির বাজার চড়া, আগের দামেই গরু-খাসি

।। প্রতীক রায়, ঢাকা অফিস।।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতিনিয়তই উঠানামা করছে মাংসের বাজার। আজ কেজিতে ১০ টাকা কমছে তো কাল আবার বাড়ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির বাজারে কেজিতে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। মুরগির বাজার চড়া হলেও আগের দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে গরু ও খাসির মাংসসহ বিভিন্ন মাছ। তবে কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ মাছ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরা গেট সংলগ্ন ছায়েদ আলী বাজার, রামপুরা, মালিবাগ, খিলগাঁও, শান্তিনগর, সেগুন বাগিচা বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মুরগি। কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে এসব বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজিদরে।

আর কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, ছোট সোনালী প্রতিহালি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকায়। আর দেশি মুরগি কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা কেজিদরে।

মুরগির সঙ্গে বাড়তি বয়েছে হাঁসের বাজার। ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে প্রতিটি ডিম পাড়া হাঁস (ছোট) বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, বড় হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়।

অপরিবর্তিত আছে ডিম, মাংস ও সাদা মাছের বাজার। এসব বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, দেশি মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালী মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০, হাঁস ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, কোয়েল প্রতি ১০০ পিস ২০০ থেকে ২২০ টাকায়।

খিলগাঁও বাজারের মুরগি বিক্রেতা বোরহান উদ্দিন বলেন, এখন পাইকারি বাজারে মুরগির সঙ্কট থাকায় দাম বাড়তি রয়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।

এসব বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা, মহিষের মাংস ৫৮০ টাকা, খাসির মাংস ৭৮০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ইলিশ মাছ ছাড়া আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সাদা সব মাছ। এসব বাজারে প্রতিকেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজিদরে, প্রতিকেজি মলা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা, প্রতিকেজি পুঁটি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা মাছ (তাজা) প্রতিকেজি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, দেশি টেংরা ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজিদরে।

এছাড়া প্রতিকেজি শিং (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ৫০০ থেকে ৯৫০ টাকা, হরিণা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৩২০ থেকে ৪৮০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মৃগেল ১৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাস ১১০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কৈ ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, কাতল ১৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে কিছুটা বাড়তি রয়েছে ইলিশের দাম। বর্তমানে এসব বাজারে প্রতি এককেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায়, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭০০ টাকা থেকে ৮০০, প্রতি ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।