Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

টি ট্রিই পারে আপনার ত্বক আর চুলের হারিয়ে যাওয়া জৌলুস ফেরাতে

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

অস্ট্রেলিয়ার এই ভেষজ আজ বিশ্বজোড়া খ্যাতি। তার নাম টি ট্রি। নামের সাথে টি ট্রি আছে বলে আবার চা পাতা ভেবে ভুল করবেন না। এর সাথে চা গাছের দুরন্তের কোনো সম্পর্ক নেই। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড আর নিউ সাউথ ওয়েলসে এই উদ্ভিদটির চাষ হয়। এই গাছের পাতা থেকেই হয় টি ট্রি অয়েল। যার বিশ্বজোড়া খ্যাতি। এর গুনাগুন প্রচুর। এটি বাজারে টি ট্রি এসসেন্সিয়াল অয়েল নামে পরিচিত। এটি ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক নাশক ও আন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে। যুগ যুগ ধরে রূপচর্চার প্রসাধনী হিসেবে এটির ব্যবহার করা হয়। ত্বকের চুলের যেকোনো সমস্যার সমাধানে এর জুড়ি মেলা ভার।

রূপচর্চার ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার পদ্ধতি

এটির ব্যবহারে যেমন আপনার ত্বকের সমস্যা দূর হবে তেমনি এটির ভুল ব্যবহারেও ক্ষতি হতে পারে আপনার ত্বকের। তাই সঠিক ব্যবহার জেনে নিন।

১. শীতে শুস্ক ত্বকের সমস্যায় যে কোনো ময়সশ্চরাইজারের সঙ্গে দু তিন ফোঁটা টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করুন।

২. যাদের ব্রণর সমস্যা রয়েছে তারা যেকোনো মুখে মাখার ক্রিমের সাথে ৩-৪ ফোঁটা অয়েল মিশিয়ে লাগালে কমবে সমস্যা।

৩. এছাড়াও ব্রণর ওপর ড্রপার দিয়ে এক ফোঁটা লাগিয়ে সারা রাত রেখেদিন। সকালে দেখবেন অনেকটা কমবে ব্রণর সমস্যা।

৪. নরমাল ত্বকের জন্য টি ট্রি অয়েল দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ফেশ মিষ্ট। একটি বোতলে গোলাপ জলের মধ্যে ৫-৬ ফোঁটা টি ট্রি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। সারাদিনে বার বার তা মুখে লাগালে মুখ থাকবে ফ্রেশ।

৫. এছাড়াও যাদের সেনসিটিভ স্কিন তারা টি ট্রি দেওয়া ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে মিলবে ফল। সানস্ক্রিন ও টি ট্রি দেওয়া ব্যবহার করলে মিলবে ভালো ফল।

৬. ত্বকের জ্বালাপোড়া, চুলকানি, ৱ্যাশ জাতীয় সমস্যা হলে অ্যালোভেরা জেল এর সাথে এই অয়েল মিশিয়ে লাগালেও মিলবে ভালো ফল।

চুলেরর ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার পদ্ধতি

ত্বকের পাশাপাশি চুলের ক্ষেত্রেও টি ট্রি গুরুত্ব অপরিসীম।

১. টি ট্রি রোজকার হেয়ার অয়েল এর সাথে মিশিয়ে মাখলে মাথার ত্বক হবে মসৃন এবং চুলও পাবে বিভিন্ন পুষ্টিগুন।

২. শ্যাম্পু করার সময় শ্যাম্পুর সাথে ৪-৫ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে শ্যাম্পু করুন। এক্ষেত্রে শ্যাম্পু মেখে ২-৩মিনিট রেখে দিতে হবে। ওই সময় চুল শুষে নেবে প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুণ। এতে চুল হবে উজ্জ্বল ও মসৃন।

৩. টি ট্রি তে অ্যান্টি ইনফ্লেমেট্রি থাকায় এটি চুলের ত্বকের থেকে পোকামাকড়, রোগজীবাণু দূর করে। খুশকির সম্যসা থেকে মেলে রেহাই। চুল পড়ার মতো সমস্যা দূর করে এই তেল।

৪. এটি আফটার শ্যাম্পুর পর লিভ অন হেয়ার স্প্রের মতো ব্যবহার করা যেতে পারে। একটি স্প্রে বোতলে জলের মধ্যে কয়েকফোঁটা টি ট্রি অয়েল দিলে ভালো করে মিশিয়ে রাখুন। যেকোনো সময় চুলে স্প্রে করে বেরিয়ে যান।

টি ট্রি তেলের উপকারীতার শেষ নেই তাই এর সঠিক ব্যবহারে মিলবে আপনার দারুন ফল। টি ট্রি তেল কখনোই সরাসরি ত্বকে বা চুলে ব্যবহার করবেন না। এই তেল ভীষণ ঘন সরাসরি লাগালে চুল বা ত্বক পুড়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো স্ক্রিম, তেল, শ্যাম্পু র সাথে ডেইলিউট করে ব্যবহার করলে মিলবে ফল।।