করোনা সচেতনতা বাড়াতে টাকি জমিদারবাড়ির তরফে মাক্স বিলি

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

দেবীবরণ সিঁদুর খেলা তিথি উপাচার মেনে ইছামতীতে প্রতিমা বিসর্জন করা হচ্ছে জমিদার বাড়ির পুজো গুলো। করোনার মারণ আবহাওয়ায় টাকি ইছামতী বিসর্জন অনেকটাই ফিকে। উত্তর ২৪ পরগনার টাকি পৌরসভার সৈয়দপুর, টাকি হসপিটাল পাড়া, মুখোপাধ্যায় পাড়া সহ কয়েকশো বছরের একাধিক জমিদার বাড়িতে হল দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলা।

নিয়ম তিথি উপাচার মেনে জমিদারবাড়ির প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেল ঘোষ বাবুর ঘাটে। প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেল সকাল থেকে বিজয় দশমীর যাত্রামঙ্গল দর্পণ দেবীবরণ সিঁদুর খেলা নিয়ম-নীতি উপাচার মেনে। কিন্তু করোনা আবহের মধ্যে মুখে মাক্স পড়ে স্যানিটাইজার দিয়ে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা নিরঞ্জন হল। বাড়ির সদস্যরা এবছর মত উমাকে বিসর্জন দিল ইছামতীর পাড়ে।

আরো পড়ুনঃ বন্দুক চালিয়ে মায়ের বিসর্জন, অভিনব প্রথা আসানসোলে

আজ সোমবার সকাল থেকে নিয়ম-নীতি মেনে ২৪ বাহকের কাঁধে চড়ে ইছামতীর ঘাটে মা দুর্গা বিদায় নেন। পাশাপাশি রামেশ্বরপুর ঘোষ বাড়ি, সৈয়দপুর, মুখোপাধ্যায় বাড়ি , জেনারেল বাড়ির জমিদার বাড়ির সদস্যদের করোনা সচেতনতার বার্তা দিতে ইছামতীর পাড়ে মাক্স বিলি স্যানিটাইজার দেন। সবমিলিয়ে এবার ইছামতী নদীর বক্ষে যে প্রাচীন ঐতিহ্য দুই বাংলার প্রতিমা বিসর্জন অনেকটাই ফিকে।

সকাল থেকে কিছু দর্শনার্থীরা আসলো তাদের চোখে-মুখে বিষাদের সুর। হতাশ ইছামতী নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের গোটাকয়েক নৌকা আর ছাড়া কিছুই নেই। বিএসএফ বিবিজি জিরো পয়েন্ট বরাবার টহল দিচ্ছেন আর নদীর ঘাট গুলোতে রয়েছে জেলা প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা। সব মিলিয়ে কোন রকম ভাবে ঝুকি নিতে চাইছে না প্রশাসন টাকি পৌরসভা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব মধ্যে দিয়ে বিসর্জন দেওয়া হবে। কোন দর্শনার্থীদের নৌকা নদীতে নামবে না, প্রতিমা বিসর্জনের নৌকা ছাড়া।

Categories