Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সিপিএম মুখপত্রের দপ্তরে এক ঝাঁক নেতা, বৈঠক হল বেশ খানিকক্ষণ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই হবে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের। হয় এদিক, নয়ত ওদিক। রাজ্যের ৭ কোটি ভোটার কার্যত দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এর মধ্যে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে বাম- কংগ্রেস জোট। ইতিমধ্যেই দুটি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জোটের পক্ষে সিলমোহর দিয়েছে। তারপরেই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে দুটি শিবিরেই। এই পরিস্থিতিতে রবিবার সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তির দফতরে বিশেষ বৈঠকে বসলেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

সেই সঙ্গে বৈঠকে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও ছিলেন বলে খবর। পরে বৈঠক শেষে প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, কে কোন আসনে লড়বে, কতগুলি আসনে লড়বে, সেই সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের আলোচনা হওয়া দরকার। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বৈঠক শেষে সিপিএম তথা বামেদের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য মার্চ মাসে যৌথভাবে কংগ্রেস এবং বামেরা ব্রিগেড কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই যৌথ শক্তি নির্বাচনের আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করতে চায়। সেই লক্ষ্যে বেশ কয়েকবার বাম এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসেন।

আরো পড়ুন : সেন্ট্রাল এজেন্সি চাই মমতার সুরক্ষায়, কেন সেটা জানালেন অর্জুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে আরএসপি’র একটি প্রিন্টিং কার্যালয়ে বৈঠকগুলি হয়েছে। আব্দুল মান্নান, অধীর চৌধুরী, প্রদীপ ভট্টাচার্য, ঋজু ঘোষাল, বিমান বসু, নরেন চট্টোপাধ্যায়, অশোক ঘোষ প্রমূখ কংগ্রেস এবং বাম নেতারা বৈঠক করেছেন সেখানে। কিন্তু বছরের প্রথম রবিবার বৈঠক হল সিপিএমের মুখপত্রের দপ্তরে। কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রেখেই এদিনের বৈঠক করা হয়েছে। তাই বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের তেমন ভিড় দেখা যায়নি সেখানে। নির্বাচনের আগে তৃণমূল এবং বিজেপির তৎপরতা তুঙ্গে। কিন্তু বাম শিবিরের এক নেতার কথায়, প্রতিদিন যেভাবে ওদের মধ্যে দল বদল হচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষ তিতিবিরক্ত।

তারা তৃতীয় বিকল্প হিসেবে বাম, কংগ্রেস জোটকে বেছে নেবেন। এই ধর্মনিরপেক্ষ জোট রাজ্যের উন্নয়নে শামিল হবে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে এসে। কংগ্রেস সূত্রে খবর, তারা বেশি করে জোর দিয়েছে সংখ্যালঘু ভোটের দিকে। কারণ মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্ক আগের মতোই অটুট আছে বলে দলীয় নেতাদের বিশ্বাস। এই তিনটি জেলায় বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘু ভোটার আছেন। সেদিকে তাই বাড়তি নজর দিচ্ছেন তাঁরা। রবিবারের বৈঠকে এই সমস্ত বিষয় উঠে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।