Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

দিনে মাত্র ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করুন, এর তুল্য সস্তা ওষুধ আর হয় না!

1 min read

।। এইচ এম আবির ।।

আজকাল অনেকেই মানসিক চাপে সাধারণ বিষয়গুলো পর্যন্ত ঠিকঠাক মনে রাখতে পারেনা। রাতে ঠিকমতো ঘুমও আসেনা। মেজাজ খিটখিটে, অল্পতেই রেগে যাওয়া, নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রণ হারানো, সম্পর্কের অবনতিসহ মনোসামাজিকের মতো বিষয়গুলো যেন জেঁকে বসে আছে। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য!

অথচ দিনের মাত্র ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করেই মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকটাতে আমরা উন্নতি সাধন ঘটাতে পারি, গবেষণার ফলাফলে এমনটিই বলা হচ্ছে।

কিন্তু কিভাবে?

প্রথমত ভাবুন, মানসিক চাপে আমরা আমাদের স্বাভাবিক হাসিটাও কিন্তু ভুলে গেছি। অথচ হাসির সঙ্গে জড়িয়ে আছে দীর্ঘায়ু! হার্ট থাকবে ভালো। এমনই দাবি গবেষকদের!

গবেষণার তথ্য বলছে, হাসলে আয়ু এ কারনে বাড়ে কারন এতে হার্ট ভালো থাকে। হাসিতে ওজনও কমে! রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিজ থেকে বৃদ্ধি পায়। হজমে সাহায্য করে। ফুসফুস ঠিক থাকায় শ্বাস-প্রশ্বাসও স্বাভাবিক হয়। আবার হাসিতে অনেক রকম ব্যথাও উধাও হয়ে যায়!

যাদের জীবনে হাস্যরসের প্রাচুর্যতা রয়েছে এবং সারাক্ষণ পজিটিভ কিছু ভাবতে পছন্দ করে তারা অন্যদের অপেক্ষা ৫৫ শতাংশ বেশি জীবনলাভ করতে পারে! গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

তাহলে এর জন্য কি প্রয়োজন?
হ্যাঁ, আর এর জন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হবেনা। প্রয়োজন, দিনে মাত্র ১৫ মিনিট সময় ধরে হাসি! কারণ, হাসলে শরীরের হ্যাপি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। কমে যায় মানসিক উত্তেজনা! হাসি হৃদরোগ ও হাইপার টেনশন কমাতে খুবই কার্যকরী। আর অট্টহাসি ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখে।

অপরদিকে মানবদেহে আচরণগত নানা পরিবর্তনের কাজটি করে থাকে স্যারোটিন নামক একটি হ্যাপি হরমোন। এই সেরোটোন মস্তিষ্কে ভালো থাকার একটি অনূভুতি পৌঁছে দেয়। তাই, মন খুলে প্রানবন্ত হাসুন। মনে রাখুন, মস্তিষ্ক কিন্তু আমাদের পুরো শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

আর শরীরে সেরোটোনিন বাড়াতে কিছুসময় ওয়ার্ক আউট করে গায়ে সূর্যের তাপ লাগিয়ে নিন। নিয়ম করে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট রোদে বসলেই মানসিক চাপ থেকে মুক্তি মিলবে পাশাপাশি মনও ভালো রাখবে, হবেন দীর্ঘায়ু!

লর্ড বায়রন হাসি সম্পর্কে বলেছিলেন, “যখনই পারো তখনই হাসো। এর তুল্য সস্তা ওষুধ আর হয় না”।