Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সোমরাবাজারের সুখাড়িয়া, টেরাকোটার অলংকৃত নিদর্শন!

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

সপ্তাহান্তে বা মাসের শেষে কোনো দিক ফাঁকা রয়েছে, সকালে বেরিয়ে সারাদিন ঘুরে রাতে ফিরে আসাতে চান তাহলে এই জায়গায় আপনাকে ঢুঁ মারতেই হচ্ছে। জায়গায় নাম হগলির সোমরাবাজারের সুখাড়িয়া। হগলির ব্যান্ডেল-কাটোয়া লাইনে সোমরাবাজারের একটি ছোট্ট গ্রাম হল এই সুখাড়িয়া। টেরাকোটা সমৃদ্ধ তিনটি মন্দিরে অলংকৃত এই গ্রামটি। এই তিনটি মন্দিরের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থাপত্যটি হল গ্রামের তৎকালীন জমিদার বিরেশ্বর মিত্র মুস্তাফির তৈরি আনন্দময়ী কালীমন্দির। শোনা যায়, রানী রাসমণি এই আনন্দময়ী মন্দির দর্শন করতে এসে মুগ্ধ হয়ে যান এবং এই মন্দিরের ধাঁচেই পরে দক্ষিনেশ্বর মন্দিরটি স্থাপন করে।

৭০ ফুট উঁচু এই মন্দিরের গঠন ও তার সজ্জিকরণ আপনার নজর কেড়ে রাখতে বাধ্য। মন্দিরের সামনে দু পাশে দু সারিতে ছটি করে প্রতিষ্ঠিত মোট বারোটি শিব মন্দির রয়েছে। এই বারোটি মন্দিরের মধ্যে দুটি পঞ্চরত্ন রীতিতে তৈরি আর বাকি দশটি আটচালা রীতিতে নির্মিত। এই মন্দিরের পাশেই রয়েছে ভগ্নপ্রায় মিত্র মুস্তাফির জমিদার বাড়ি। আনন্দময়ী কালীমন্দির থেকে একটু এগিয়ে গেলে চোখে পড়বে নবরত্নে মোড়া হরসুন্দরী মন্দির। তবে আপনি যদি গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন মন্দিরে যেতে চান তাহলে আপনাকে চলে আসতে হবে সিদ্ধেশ্বরী মন্দির। এটি হুগলি নদীর এক প্রান্তে বটগাছের পাশে অবস্থিত। কিন্তু কালের নিয়মে মন্দিরটির অলংকার প্রায় অবলুপ্ত।

কিভাবে পৌঁছবেন এই গ্রামে?

হাওড়া থেকে কাটোয়া লাইনের ট্রেন ধরে সোমরাবাজার স্টেশন। সেখান থেকে টোটো ধরে পৌঁছে যাবেন এই মন্দিরে।

আপনি যদি সড়কপথে আসতে চান তাহলে দিল্লি রোড অথবা জিটি রোড ধরে মগরা পার হয়ে কুলপাড়া থেকে ডান দিকে ছোটো রাস্তা ধরে চলে এই আসুন এই গ্রামে।