Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

স্কুটার চালিয়ে নজরকাড়া প্রচারে স্মৃতি ইরানি

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইলেকট্রিক স্কুটারে চেপে বাড়ি থেকে নবান্ন গিয়েছেন। স্কুটার চালিয়েছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু ফেরার সময় হঠাৎ দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্কুটি চালাচ্ছেন। সঙ্গে রয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। বেশ কিছুটা রাস্তা তিনি আস্তে আস্তে স্কুটি চালান। উল্লেখ্য পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ স্বরূপ মুখ্যমন্ত্রী ডিজেল বা পেট্রোল বিহীন যানবাহনে নবান্ন যেতে চেয়েছিলেন। তাই ইলেকট্রিক স্কুটার বেছে নেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর জন্য। ঠিক তার পরদিন দেখা গেল পরিবর্তন যাত্রা উপলক্ষে বাংলায় এসে স্কুটারে চেপে প্রচার করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। এদিন গড়িয়া থেকে সোনারপুর পর্যন্ত প্রচার করে বিজেপি। সেই পথেই স্কুটারে যান তিনি। নিজেই স্কুটার চালিয়েছেন স্মৃতি। পরে ঝরঝরে বাংলায় তিনি বলেন,” গাড়ি চলাচলে অসুবিধা হচ্ছিল, তাই স্কুটার চালালাম।

তবে রাস্তার যা খারাপ অবস্থা, কী আর বলব। বাংলার পরিস্থিতি বলছে তৃণমূলের বিদায় আসন্ন। বিজেপি বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসছে পশ্চিমবঙ্গে”। উল্লেখ্য দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা তৃণমূলের দুর্গ বলে পরিচিত। গত লোকসভা নির্বাচনে ফলের ভিত্তিতে এখানকার ৩১টি আসনেই এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তাই বিধানসভা নির্বাচনে এই জেলার প্রত্যেকটি কেন্দ্র থেকে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জোড়াফুল শিবির। যদিও এই বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ সব জায়গায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। বাংলার পালস সেটাই বলছে। উল্লেখ্য বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব পুরোপুরি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। একের পর এক নেতা-মন্ত্রীরা পশ্চিমবঙ্গে আসছেন বিভিন্ন কর্মসূচি উপলক্ষে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডারা বারবার বাংলায় আসছেন। এর পাশাপাশি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীরা নিয়মিত বাংলায় আসছেন প্রচারে অংশ নিতে। সেই সূত্রেই বাংলায় এসেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ‌। উল্লেখ্য গত লোকসভা নির্বাচনে গান্ধী পরিবারের গড় বলে পরিচিত উত্তরপ্রদেশের আমেথি কেন্দ্র থেকে স্মৃতি ইরানি জয় পেয়েছেন রাহুল গান্ধীকে হারিয়ে। তখন থেকেই গেরুয়া শিবিরে স্মৃতির গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বড় কথা স্মৃতি পরিষ্কার বাংলা বলতে পারেন। তাই তাঁকে যে রাজ্যে প্রচারে বিজেপি অনেকটাই কাজে লাগাবে, সেটা ধরে নেওয়াই যায়। এদিন গড়িয়া থেকে সোনারপুর পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রায় স্মৃতি যোগ দেওয়ায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উৎসাহ, উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।