Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

আগে কি মুখোশ ছিল, এখন টা মুখ’ শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর

1 min read

।। শর্মিলা মিত্র ।।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মেছেদাতে একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের জামিয়াতে উলমায়ে হিন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী(Siddiqullah choudhury)। বৈঠকে মন্ত্রীর পাশাপাশি সৈয়দ আবদুস সামাদ সহ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জমিয়াতে উলমায়ে হিন্দের ও ভূমি আন্দোলনের নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিমের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীকেও তোপ দাগতে ভোলেন নি তিনি।

ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসির বৈঠক এবং একসঙ্গে লড়ার বিষয় সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী কটাক্ষ, ‘ওয়াইসি সাহেব হল বিজেপির দালাল। দালালে দালালে এক জায়গায় হয়েছে এবং আব্বাস সিদ্দিকি হাঁটুর বয়সী একজন ছেলে যিনি বাংলার ভূগোল জানেনা বিজেপির কাছ থেকে টাকা খেয়ে এই সব করছে’। তার মন্তব্য, ‘বাংলার মাটি খুব শক্ত। ওয়াইসির মুরলিপনার দরকার বাংলায় নেই, আমরা যথেষ্ট’। তার কটাক্ষ ‘মুসলমানদের মুখ পোড়াচ্ছে, হিন্দুদের বুক বাড়াচ্ছে।’ পাশাপাশি তার মন্তব্য, ‘বিজেপি চাইছে এদের highlight করতে, যাদের অস্তিত্ব নেই, যাদের জনভিত্তি নেই তারা হবেন নেতা আর যাদের জনভিত্তি আছে তাদেরকে তারা উপড়ে ফেলবে, এত সহজ নয় বাংলার মাটি’।

পাশাপাশি প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (Shubhendu Adhikari) নিয়ে তার মন্তব্য, ‘পশ্চিমবাংলায় কোন মন্ত্রী এত সুযোগ পায়নি, একটি পরিবারে এতগুলো পদ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সবকিছু চুষে ফেলে দিয়ে এখন বিজেপিতে যোগদান করেছেন এবং বিজেপিতে গিয়ে তার জয় শ্রী রাম এবং কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে বলাকে’ কটাক্ষ করেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পাশাপাশি তার মন্তব্য, ‘আগে কী মুখোশ ছিল, এখন টা মুখ’ শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর (Siddiqullah chowdhury)।

আরো পড়ুন : কয়েকজন পুলিশ অফিসার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিনয় মিশ্রের চামচা হয়ে গিয়েছিল : সৌমিত্র খাঁ

এছাড়া, কৃষি বিলের আইন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক তাস খেলে ওটা হল তাদের মুখোশ, মুখ হল দেশকে তারা বিক্রি করছে, কোন সন্দেহ নেই যে কেন্দ্রের সরকার অযোগ্য ব্যর্থ দেশ চালানোর ক্ষমতা তাদের নেই।’ পাশাপাশি তার কৃষি বিল নিয়ে তার মন্তব্য, ‘আর ভারতবর্ষের প্রায় ৯০ কোটি মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত, তাদের কথার কোন গুরুত্ব নেই। একেবারে অহঙ্কারী হয়ে প্রধানমন্ত্রী বসে আছেন যে আইন প্রত্যাহার করব না।’ ‘এখনও সময় রয়েছে বিজেপি সরকার ভেবে দেখুক দিল্লি হরিয়ানা বর্ডারে যারা আন্দোলন করছে তাদের পাশে থাকারও’ বার্তা দেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

পাশাপাশি তিনি আরও জানান, ‘কেন্দ্রের কৃষি বিরোধী আইনের প্রতিবাদে আগামী ১৬ই জানুয়ারি তমলুকের মানিকতলায় এক বিশাল জনসভা ও বর্ণাঢ্য মিছিলের কথা জানান তিনি। ১৭ই জানুয়ারি মেদিনীপুর কালেক্টরেট মোড়ে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মসূচীর’ কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি আজকের বৈঠকের পর মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, কেন্দ্রের সরকার সাম্প্রদায়িক তাস খেলে দেশের জনগনকে বোকা বানাচ্ছে। ওরা ইতিমধ্যে রেলকে বেসরকারি হাতে দেবার ব্যবস্থা করেছে। ওরা দেশ চালাতে ব্যর্থ।