Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

“বাবাকে হারিয়েছিলেন ৫৯০০ ভোটে”বিজেপিকে ধন্যবাদ দিলেন শুভেন্দু

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

গত লোকসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি আসনেই জিতেছিল তৃণমূল। তমলুক থেকে জেতেন দিব্যেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে কাঁথি থেকে জয়লাভ করেন শিশির অধিকারী। কিন্তু জেলার বেশকিছু বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি তুল্যমূল্য লড়াই চালায়। পূর্ব মেদিনীপুরে দুটি বিধানসভা ক্ষেত্রে বিজেপি পেছনে ফেলে দেয় তৃণমূলকে। রবিবার শুভেন্দু জনসভা করেন কাঁথির মুকুন্দপুরের বসন্তিয়া স্কুল মাঠে। ওই অঞ্চল থেকে লোকসভা নির্বাচনে অনেকটাই লিড পেয়েছিল বিজেপি (BJP)।

সেই প্রসঙ্গ তুলে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের ব্যাপক প্রশংসা করে বলেন,” আপনাদের ধন্যবাদ। অনেক লড়াই করেছেন। এই অঞ্চলে আমার বাবা শিশির অধিকারীকে ৫৯০০ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন। আমি এখন আপনাদের সাথে যুক্ত হয়েছি। তৃণমূলের সঙ্গে ওই ব্যবধানটা ২০ হাজারে নিয়ে যেতে হবে। মনে রাখবেন বালুমাটির শুভেন্দু, আর লালমাটির দিলীপ ঘোষ এক হয়েছেন। সমস্ত আসনে জিতবে বিজেপি” (BJP)। এই অঞ্চল তাঁর কাছে যে অত্যন্ত পরিচিত, সেকথা এদিন তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হয়েছে আমার। আমি তখন খুব ছোট। ১৯৮২ সালের কথা। বাবার হাত ধরে এই জায়গায় ঘুরতে আসতাম।

আরো পড়ুন : বিশদে কিছু বললেন না, চৌকাঠ পেরোলেই ভাইপো এটা বলে গেলেন শুভেন্দু

পুরো এলাকা আমার চেনা। সেই বছরে বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী কুকথা বলেছিলেন। অধিকাংশ বুথে কংগ্রেসে এজেন্ট দিতে পারেনি। কিন্তু নির্বাচনে সিপিএম হেরে গিয়েছিল। মানুষ সব বোঝেন। দেখতে থাকুন কি হয়”। তিনি আরো বলেন, লক্ষণ শেঠের মতো নেতাদের টাইট করে দিয়েছি। চারদিকে দুর্নীতি চলছে। টাকা লুট হচ্ছে। আম্ফান ঝড়ের সময় দেখেছি বাড়িতে যার গরু নেই সেও বলেছে গরু মরে গেছে। সেটা বলে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছে। আমরা হিন্দু। গো মাতার নামে এসব বলে কি করে? পঞ্চায়েতে কাউকে মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি।

সব খবর আমি জানি। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে ( Subhendu Adhikari) কটাক্ষ করে বলেন, এরা হচ্ছে উপসর্গহীন রোগী। বুঝতে পারবেন না আগে থেকে। এরা ভেতরে ভেতরে বিজেপির হয়ে কাজ করছিল। চলে গেছে মঙ্গল। তার উত্তর আজ দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,” মনে রাখবেন উপসর্গহীন রোগীরা কিন্তু মরে না। কিন্তু তোমাদের দলের মাথায় ক্যান্সার ধরে গেছে। পচন ধরতে শুরু করেছে। পায়ে পচন ধরলে কেটে বাদ দেওয়া যায়। কিন্তু মাথায় পচন ধরলে বাদ দেবেন কি করে? এই দলের বিদায় আসন্ন”। সব মিলিয়ে রবিবার শুভেন্দু তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলকে।