কাউকে কিছু শেয়ার করছেন? খুব সাবধান!

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলোতে বিশেষ করে ফেসবুকে চোখের সামনে ভেসে আসা অপরিচিত লিংক ‘কেবল আগ্রহবশত’, ‘বেখেয়ালে’, ‘পরে পড়ার জন্য সংরক্ষণ’ করতে শেয়ার দেওয়া বিপদ ডেকে আনতে পারে। আইনিভাবে ‘উসকানিমূলক’ ও ‘অবমাননাকর’— এধরনের তথ্য সংবলিত লিংক ছড়ানোর দায়ে অপরাধী বিবেচনা করা হতে পারে অ্যাকাউন্টটির মালিককে। আইন-শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা বলছেন, ‘বেখেয়ালে’ শেয়ার করে ফেলাটা কোনও অজুহাত হতে পারে না।

আপনি মজা করতে অন্যের বানানো কনটেন্ট ‘ট্রল’ করতে সহায়তা করছেন, এতে যে কারও মানহানি ঘটছে খেয়াল করলেন না। কেউ কাউকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে— সেই ভিডিও আপনার ওয়ালে ঝুলছে, এমন অবস্থায় না জেনেই আপনি জড়িয়ে পড়তে পারেন মামলায়। অযথা ঝামেলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আইন জানার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

ফেসবুকে যা অপরাধ-
ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো ফেসবুক। কিন্তু ফেসবুক ব্যবহারের উপকারিতার পাশাপাশি ক্ষতির সম্মুখীনও হচ্ছেন অনেকে। আইন অনুযায়ী, ফেসবুকে মিথ্যা ও অশ্লীল এমন কোনও কিছু ব্যবহার করা যাবে— যা কোনও ব্যক্তি পড়ে, দেখে ও শুনে ‘নীতিভ্রষ্ট’ হতে পারেন। কোনও স্ট্যাট্যাস বা ট্যাগের কারণে কারও ‘মানহানি’ ঘটে, এমন কোনও কিছু করা যাবে না। এমন কোনও কিছু লেখা বা শেয়ার দেওয়া বা কমেন্ট করা যাবে না, যার মাধ্যমে কেউ ‘উসকানি’ অনুভব করেন এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে।

সর্বোপরি এমন কিছু লেখা ও ট্যাগ করা যাবে না, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ‘ভাবমূর্তি’ ক্ষুণ্ণ হয়। আইনে নীতিভ্রষ্ট, মানহানি, উসকানি,ভাবমূর্তির সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা না থাকলেও প্রচলিত ধরন অনুযায়ী— যে কর্মকাণ্ডগুলোকে এই শব্দগুলো দিয়ে সুনির্দিষ্ট করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সেগুলো থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

পরামর্শ-
কোনও কিছু বিশ্বাস করার ক্ষেত্রে নিজের বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে যাচাই করা দরকার যে খবরটি সত্যিই কী না। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো শেয়ার করার সময় এটি বিশেষভাবে চিন্তা করতে হবে।

গুজব বা মিথ্যা তথ্য প্রচারের কারণে অনেক সময় বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বা ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষের বড়সড় ক্ষতি হয়ে যায়। তাই এসব মিথ্যা খবর প্রচারে সহায়তাকারীরা আইনের আওতায় আসতে পারেন।

সুতরাং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি মনে হয় যে, কোনও মানুষ প্রকৃতই ‘বেখেয়াল’, ওনার তাহলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকাই উচিত হবে না। কারন গুজব বা মিথ্যা তথ্য প্রচারের কারণে অনেক সময় বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বা ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষের বড়সড় ক্ষতি হয়ে যায়। ফলে কোনও ক্ষতির কারণ যেন আপনি না হন, সেই বিষয়ে সতর্ক থাকার দায়িত্ব আপনারই।

Categories