সিবিআই-এর ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন রিয়া

1 min read

।। শর্মিলা মিত্র।।

প্রায় দশ ঘণ্টা সিবিআই-এর ম্যারাথন জেরার সম্মুখীন হন রিয়া চক্রবর্তী। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সিবিআই দফতরে পৌঁছান রিয়া। ছিলেন তার ভাই শৌভিক চক্রবর্তীও।

শুধুমাত্র রিয়া বা শৌভিক নন, শুক্রবার আবারও সিবিআই-এর আধিকারিকদের মুখোমুখি হন সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানি, হাউজ ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডা ও সুশান্তের পরিচারক নীরজও। জানা গিয়েছে, তিনটি দলে ভাগ হয়ে তাদের জেরা করেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা।

অন্যদিকে, রিয়ার জন্য যে প্রশ্ন তৈরি ছিল তার মধ্যে, ১৩ জুন থেকে ১৪ জুন সকাল পর্যন্ত সুশান্তের ফ্ল্যাটে কী ঘটেছিল? কে বা কারা কারা সেদিন বা তার আগের দিন রাতে সেখানে ছিলেন? ৮ই জুন কেন সুশান্তকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন রিয়া ? সুশান্তের মানসিক অবসাদের কথা কীভাবে জানতে পারলেন রিয়া ? 

এই সমস্ত বিষয়ে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা বলে সূত্রের খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার শৌভিক চক্রবর্তীকে টানা ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই -এর আধিকারিকরা।

অন্যদিকে, জানা গিয়েছে, অবশেষে খোঁজ পাওয়া গিয়েছে সুশান্তের বন্ধু সন্দীপ সিং-এরও। সূত্রের খবর, আপাতত তিনি মুম্বইতেই রয়েছেন। প্রসঙ্গত, সুশান্তের রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে সন্দীপের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।সুশান্তের ফোনের কলরেকর্ড ঘেঁটে জানা গিয়েছে, গত এক বছর সুশান্তের সঙ্গে ফোনে কোনও যোগাযোগ হয়নি সন্দীপের। অথচ সুশান্তের মৃত্যুর পর অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে হাসপাতাল সর্বত্র দেখা গিয়েছে তাকে।

এসবের পাশাপাশি, একের পর এক ট্যুইটে রিয়া চক্রবর্তীর উপর ক্ষোভ উগরে দেন সুশান্ত সিং রাজপুতের দিদি শ্বেতা। ট্যুইটে তিনি লেখেন, তার ভাই সুশান্তের সঙ্গে রিয়ার দেখা না হলেই ভাল হতো। আবার কখনও তিনি লেখেন, “ঈশ্বর তোমায় ক্ষমা করবেন না রিয়া।”

প্রসঙ্গত, সংবাদ মাধ্যমের একটি সাক্ষাৎকারে, সুশান্তের পরিবারের দিকে সরাসরি আঙুল তোলেন রিয়া চক্রবর্তী। রিয়া দাবি করেন, “নিজের বাবার সঙ্গে সুশান্তের সম্পর্ক মোটেও ভাল ছিল না।” এমনকি সুশান্তের দিদিদের বারবার সুশান্তের অসুস্থতার কথা জানানো হলেও তারা এড়িয়ে গিয়েছিলেন বলেও সাক্ষাৎকারে দাবি করেন রিয়া।আর তারপরই ট্যুইটে রিয়াকে আক্রমণ করেন সুশান্তের দিদি শ্বেতা।