রাঘববোয়ালদের ধরতে হবে,ফিরহাদের সামনে বলেন রাজীব

।। রাজীব ঘোষ।।

আমার মনে হয় এসব কথার জবাব দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। যেটা বলার আমি খুব স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি। সেখান থেকে আমি কোথাও নড়ি নি। দলকে বলে দিয়েছি এই জিনিস হচ্ছে সেটা বন্ধ করতে হবে। দলের নিশ্চিতভাবেই ব্যবস্থা নেবে। আমি আমার মতো করে বক্তব্য বলেছি। এখনো বলবো দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে লড়াই আমার নেত্রী করছেন আমি তার সহকর্মী হিসেবে লড়াই শুরু করেছি। এদিন হাওড়া এক অনুষ্ঠানে বললেন বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

কয়েকদিন আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি ক্ষতিপূরণের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন দলকে সত্যিই যদি দুর্নীতিমুক্ত করতে হয় তাহলে সবাইকে ধরতে হবে। শুধু চুনোপুঁটি ধরলে হবে না রাঘববোয়ালদের ধরতে হবে। এদিন তিনি বলেন কার কোথায় কি গুরুত্ব আছে সেটা বাংলার মানুষ জানেন। বাংলার মানুষ জানেন কে কি রকম। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে কোনোদিন বিতর্ক ছিল না।

আর অবসান ঘটানো কিছু নেই। এটা আমাদের দলীয় ব্যাপার। দলীয় স্তরে দলীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। সংবাদমাধ্যমের সামনে আলোচনা করি না। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে ফিরহাদ হাকিম বলেন মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি ঠিক নয়। বিজেপি এটা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমাদের একজন বিধায়ক মারা গেছেন। বিধানসভাতে একসঙ্গে ছিলাম। উত্তর প্রদেশ গুজরাটে বিজেপি শাসিত রাজ্যে যেটা হয় এখানে সেটা হয় না। নিরপেক্ষ তদন্ত ব্যবস্থা এখানে হয়। পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন আছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ শাসন ব্যবস্থা আছে। এদিন হাওড়ার বালি দুর্গাপুর নিশ্চিন্দা সিসিআর ঝিল সংলগ্ন উদ্যানে বনমহোৎসবের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রধান অতিথি ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এছাড়া বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া, উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষ ও জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।