‘মানুষ তৃনমূলের থেকে মুক্তি চাইছেন’, দাবি শমীক ভট্টাচার্য্যের

।। রাজীব ঘোষ ।।

মানুষ তৃণমূলের কাছ থেকে মুক্তি পেতে চাইছে। এই নির্বাচনে তৃণমূল ক্ষমতা থেকে চলে যাবে। এটা নিশ্চিত। প্রথম কলকাতায় লাইভে এসে বললেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য।তার কথায় ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। এই পদ্ধতিটাই সমাজকে কলুষিত করেছে।

আর্থসামাজিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। রাজ্যের মানুষ জানতেন কর্মসংস্থান হবেনা শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতি বন্ধ করা যাবেনা কিন্তু তারপরেও মানুষ তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন। কারণ সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটাই লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্যে রাজ্যের মানুষ তাকে ভোট দিয়েছিলেন। আর এখন তার বিরুদ্ধে ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এই সরকার প্রতিবাদ করার অধিকারটুকু দেয়না। বিরোধীদের প্রতিবাদ করার সুযোগ দেয় না।

এই সরকার বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েত তৈরি করার কথা বলেছিলেন। রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী বলেছিলেন বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েত পৌরসভা তৈরি করলে সমস্ত ক্ষেত্রে উন্নয়নের কাজ করা যায়। মানুষ এই সরকারের পরিবর্তন চাইছে। গণতান্ত্রিক অধিকার যে সরকার কেড়ে নিচ্ছে তার বিরুদ্ধেই এবার রাজ্যের মানুষ ভোট দেবে বলে জানান শমীক।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম কংগ্রেস জোট এর উপর মানুষ ভরসা করেছিল। হয়তো তারা তৃণমূলকে হারাতে পারবেন। বিজেপির ভোট শতাংশ কমে গিয়েছিল। তবে তারপরে রাজ্যের মানুষ বুঝতে পেরেছেন বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে প্রয়োজন।

এই কারণেই লোকসভা নির্বাচনে ১৮ টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের যে সরকার চলছে তার উপর মানুষ আস্থা রাখতে পারছেন। তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিক দল নয় বলে মন্তব্য করেন শমীকভট্টাচার্য্য।