রাতকানা? সচেতন হতে হবে এখনই

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

লক্ষণ : চোখের সাদা অংশের রং পরিবর্তন হয়ে বাদামি হয়ে যায় , চোখের জল কমে গিয়ে সাদা অংশ শুষ্ক হয়ে যায় , চোখ লাল হয়ে যায় , অল্প আলোতে চোখে ঝাপসা বা কম দেখে , উজ্জল আলোর দিকে সরাসরি তাকাতে পারে না , চোখে ফুলি পড়ে (বিটট স্পট) , চোখের মণিতে ঘা হয়ে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যায় ।

রাতকানা রোগ হবার কারণ

ভিটামিন-এ’র অভাব । শিশুকে মায়ের দুধ না খাওয়ানো । বাড়তি খাবারে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাদ্য কম বা না থাকলে। শিশুর স্বাভাবিক খাবারে ভিটামিন-এ জাতীয় খাদ্য কম থাকলে কিংবা ডায়রিয়া বা হাম হলে রাতকানা হতে পারে।

প্রতিকার

এক থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদেরকে প্রতি বছরে ৬ মাস অন্তর অন্তর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন-কলিজা, মাছের তেল, ডিম, মাখন এবং গাঢ় রঙ্গিন শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া ।
শাক-সবজি রান্নায় অবশ্যই পরিমিত তেল ব্যবহার করা ।
শালদুধ সহ যতদিন সম্ভব বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ।

রাতকানা রোগের লক্ষণ দেখা গেলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং চিকিৎসা করা ।

Categories