Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

খকখক করতে করতে নাজেহাল, দেখে নিন এর ঘরোয়া ডোজ

||শুভ্রদীপ চক্রবর্তী||

এই মৃদুমন্দ আবহাওয়ায় কখনো ঠান্ডা আবার কখনো গরম। ফলত সবচেয়ে যে বেশি সমস্যাটি দেখা যায় তা হলো সর্দি কাশি। আবার অ্যালার্জি, অ্যাজমা,
অতিরিক্ত ধূমপান এবং এই ধরণের সমস্যা ভোগ করতে হয়। তাই এই শুকনো কাশি থেকে মুক্তি পেতে মেনে চলুন কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি।

মধু

খুসখুসে কাশি দূর করতে বেশ উপযোগী মধু। ছোটো বড় সকলের জন্যই কার্যকরী। বুকে জমে থাকা কফ বের করে আনতে সাহায্য করে। আপনি মধু শুধু শুধুও খেতে পারেন অথবা চা বে এক চিমটে লেবুর রসের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান থাকে যা গলায় জমা সর্দি দূর করতে সাহায্য করে।

আদা

আদার রসও বুকের কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আদা থেঁতো করে চায়ে মিশিয়ে খেতে পারেন। এই চা আপনার গলায় আরাম দেবে। তবে বেশি আদা খাওয়া ভালো না, কারণ এটি পেটের সমস্যা তৈরি করে ও হার্ট বার্নও করে। তাই সামান্য আদা দিয়ে দিনে একবার কয়েকদিন চা বা সরবত খেলে উপশম পাওয়া যেতে পারে।

হলুদ

হলুদের মধ্যে থাকে বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। যেমন প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ লবণ, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, লোহা প্রভৃতি। এছাড়া হলুদের থাকা কারকুমিন উপাদান বুকে থেকে কফ শ্লেষ্মা দূর করে। এক গ্লাস কুসুম গরম জলে এক চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিদিন কুলকুচি করুন। অনেক আরাম পাবেন।

গরম জল ও নুন

গরম জলে এক চিমটে নুন মিশিয়ে কুলকুচি করলে আপনার ন্যাসাল প্যাসেজ পরিষ্কার থাকে। শুকনো কাশি থাকলে এক গ্লাস উষ্ণ জলে ৩/৪ চামচ লবন মিশিয়ে কুলকুচি করলে খুব তাড়াতাড়ি এর উপশম মিলবে।

তুলসী পাতা এবং পুদিনা পাতা

প্রায় প্রত্যেক বাঙালিদের ঘরেই বিরাজমান তুলসী গাছ। মূলত আয়ুর্বেদে তুলসী অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এর কার্যকারিতা আপনার দেহের সকল অঙ্গে বর্তমান। বলতে গেলে সর্দি কাশির যম তুলসী। কয়েকটি তাজা তুলসী পাতা বেটে সেই রসের সাথে অল্প মধু মিশিয়ে দিলেই কেল্লা ফতে। খুসখুসে কাশিতে বেশ উপযোগী এই বিশেষ ভেষজ।
এছাড়া আপনি তুলসীর পাতার বিকল্প হিসেবে পুদিনা পাটাও ব্যবহার করতে পারেন। গলা ব্যাথা এবং সর্দি কাশিতে অত্যন্ত নিরাময়ী পুদিনা। আপনি চায়ে পুদিনা পাতা দিয়ে দিনে 2/3 বার খেতে পারেন।