রাজস্থানী রঙে মনামি, কাঁপল নেট দুনিয়া

1 min read

।। স্বর্ণালী তালুকদার ।। কলকাতা ।।

হম দিল দে চুকে সনম সিনেমাতে ঐশ্বর্য রায়ের এন্ট্রিটা মনে আছে?  বালির মধ্যে দিয়ে চঞ্চলা লক্ষ্মী ঘাগড়া-চোলি পড়ে খেলছিলেন, আর ব্যকগ্রাউন্ডে বাজছিল মন মোহিনী তেরি অদা! সত্যি মন মোহিত হয়ে গিয়েছিল সেই দৃশ্য দেখে আপামর জন সাধারণের। সাধেই কি তিনি বিশ্বসুন্দরী। সেই মন মোহিনীর স্মৃতি ফিরে এল অভিনেত্রী মনামি ঘোষের নতুন ফটোশ্যুট দেখে।

গোলাপি ঘাগড়়া-চোলি, গাঢ় করে কাজল, বড় পাথরের কানের দুল-টিকলি সহ একরাশ গোলাপের হাসি ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর মুখমণ্ডলে। কখনও হাসছেন, কখনও গোলাপি চুড়ির আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে ফেলছেন – এককথায় নিজেকে রাজস্থানী তরুনী বেশে সাজিয়ে নিয়েছেন মনামি। আশা করা যেতেই পারে এই রাজস্থানী ফ্লেভারকে বজায় রাখতে তিনি একপ্রস্থ নেচেও নেবেন।

অভিনেত্রী ঝকঝকে ত্বক এবং নজর কাড়া ফিগারে চোখ আটকাবে সকলেরই। প্রানোচ্ছল ঝরনার জলের মতো সদাই চঞ্চল তিনি। কাল পর্যন্ত ছিলেন দার্জিলিং এ। হঠাৎ হুশ করে চলে গেলেন রাজস্থানে ঘুড়ি ওড়াতে। গানের ভাষায় তাঁর চোখের চাউনি খানিকটা যেন গানের সুরে বলছিল, যতই ঘুড়ি ওড়াও…. তিনি জানেন কি করে অনুরাগীদের মনের রাশ টেনে ধরতে হয়।

উড়ি উড়ি মনকে নিজের হাসি দিয়ে কাবু করতে তিনি বিলক্ষণ জানেন। টেলিভিশন থেকে সিনেমা – সবেতেই তিনি যেমন লাবণ্যময়ী, তেমনই অনবদ্য অভিনেত্রী। তবে এই লুকের আভাস তিনি আগেই দিয়েছিলেন, অনুরাগীদের সেবার বোধহয় মনে ধরেনি। তাই আস্ত ভিডিওই পোস্ট করে দিয়েছেন। মলিন বিকেলে রঙের বাহারে যে কারোর চোখই ধাঁধিয়ে যাবে। অবশ্য তিনি যাই পোস্ট করেন না কেন, অনুরাগীদের চোখ পরে থাকে তাঁর হাসির ঝলকে। তিনি হাসবেন, আর তাদের বুকের ধুকপুকানিটা আরেকটু বাড়বে।