Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

জেলা স্তরে কোভিড টিকার জন্য টাস্ক ফোর্স গড়তে বললেন মোদী

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

মঙ্গলবার কোভিড পরিস্থিতি ও টিকা নিয়ে নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মুখ্যমন্ত্রীদের যা বললেন মোদী –

এটা এখনও ঠিক হয়নি কোন টিকার কত দাম। যদিও ২টি ভারতীয় টিকা সামনের সারিতে আছে। আমরা বিশ্ব সংস্থাগুলির সঙ্গেও কাজ করছি।

আমরা টিকার জন্য হিমঘরের সুবিধা নিয়ে প্রস্তুত আছি। যারা টিকা দেবেন সেই স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ চলছে। আমরা যখনই টিকা পাব, টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন কোভিড-১৯ নির্দেশিকা মেনে চলুন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী মুখ্যমন্ত্রীদের বললেন, মৃত্যু হার ১ শতাংশের নীচে নিয়ে আসার জন্য কাজ করতে। আরও আরটি-পিসিআর পরীক্ষার আবেদন জানালেন।

প্রতিটি রাজ্য ও অংশীদারকে একটি দল হয়ে কাজ করতে হবে যাতে এই অভিযান নিয়মমাফিক, মসৃণ হয়।

প্রতিটি নাগরিকের করোনাভাইরাস টিকাকরণের এই অভিযান জাতীয় দায়বদ্ধতা।

মোদী মুখ্যমন্ত্রীদের বললেন, কোভিড-১৯ টিকার জন্য রাজ্যে হিমঘরের ব্যবস্থা করতে।

এটা এখনও ঠিক হয়নি ১,২ না ৩ ডোজের টিকা হবে। টিকার কী দাম হবে তাও ঠিক হয়নি। আমরা এখনও এই সব প্রশ্নের উত্তর জানি না।

আমরা ভারতীয় টিকা প্রস্তুতকারকদের ও উৎপাদকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমরা বিশ্বের নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে, অন্যান্য দেশের সরকার, বহুজাতিক সংস্থা ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলির সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছি।

ভারত সরকার টিকা নিয়ে প্রতিটি খবরের ট্র্যাক রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের জেলা অথবা ব্লক স্তরে টাস্ক ফোর্স বা স্টিয়ারিং কমিটি গড়তে বললেন কোভিড টিকা কর্মসূচির প্রস্তুতির জন্য।

রাজ্যগুলির সঙ্গে যৌথভাবে টিকা বিতরণ কৌশল স্থির করা হবে। রাজ্যগুলিকেও হিমঘরের ব্যবস্থা নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

দ্রুততার সঙ্গে নিরাপত্তাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যে টিকা ভারতের নাগরিকদের দেওয়া হবে তা হবে নিরাপদ, সমস্ত বৈজ্ঞানিক মাণদণ্ডেও।

দেশে ১৬০টিরও বেশি অক্সিজেন উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।

অক্সিজেন তৈরি ও ভেন্টিলেটরের ব্যাবস্থা করা নিয়েও নজর দেওয়া হচ্ছে।

আমরা চেষ্টা করছি সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালকে অক্সিজেন উৎপাদনে স্বনির্ভর করতে।

যারা টিকা নিয়ে কাজ করছেন, তারা তো করছেনই, তবে আমাদের নজর দিতে হবে যাতে মানুষ সতর্ক থাকে ও সংক্রমণ আটকানো যায়। আমাদের পজিটিভিটির হার ৫ শতাংশের নীচে নিয়ে আসতে হবে।

সুস্থ হয়ে ওঠার হার ভাল দেখে অনেকে ভাবছেন, ভাইরাস দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। এতে ব্যাপক অসতর্কতা তৈরি হচ্ছে।

যৌথ উদ্যোগের ফলে ভারত আজ অন্যান্য দেশের তুলনায় ভাল অবস্থায় আছে, সুস্থতার ও মৃত্যু হারের দিক থেকে।