বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠনের বড়ো নাশকতা চালানোর ক্ষমতা নেই

।। ফাইজা রাফা, বাংলাদেশ ।।

আজ ১৭ আগস্ট। বাংলাদেশের মাটিতে সিরিজ বোমা হামলার ১৫ বছর। তবে এখনও সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হয়নি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির কার্যক্রম। কখনও নব্য জেএমবি আবার কখনো অন্যনামে অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে তারা। একযুগ পার হলেও এখনও ১৬০ টি মামলার মধ্যে অর্ধ শতাধিক মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, হামলা নয় মাঠ পর্যায়ে কৌশল অবলম্বন করে ও ইন্টারনেটে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাথমিক কর্মী সন্ধানের চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। তবে এখন জঙ্গি সংগঠনের বড় ধরনের কোন নাশকতার ক্ষমতা নেই।

আজ ১৭ আগস্ট। সিরিজ বোমা হামলার ১৫ বছর। তবে এখনও সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হয়নি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির কার্যক্রম। কখনও নব্য জেএমবি আবার কখনো অন্যনামে অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে তারা। একযুগ পার হলেও এখনও ১৬০ টি মামলার মধ্যে অর্ধ শতাধিক মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, হামলা নয় মাঠ পর্যায়ে কৌশল অবলম্বন করে ও ইন্টারনেটে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাথমিক কর্মী সন্ধানের চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। তবে এখন জঙ্গী সংগঠনের বড় ধরনের কোন নাশকতার ক্ষমতা নেই। ১৭ আগস্ট নিয়ে আরও জানাচ্ছেন মৌ খন্দকার।

১৭ আগস্ট ২০০৫। সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত রাজধানীর ৩৪টি স্থানসহ দেশের ৬৩ জেলার প্রায় পাঁচশ স্থানে একযোগে বোমা হামলা চালিয়ে নিজেদের অবস্থানের জানান দেয় জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদ বাংলাদেশ জেএমবি।

বাংলাদেশে সিরিজ হামলায় ২ জনের মৃত্যু ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় মোট মামলা হয় ১৬১ টি। ১ হাজার ১৫৭ জন আসামীর মধ্যে গ্রেপ্তার হন ৯৬০ জন। আর ১১০ মামলার রায়ে ফাঁসি কার্যকর হয় ১৫ জঙ্গির, বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয় ২৮৭ জনের। খালাস পান ১১৮ জন, জামিনে আছেন ৩৫ জন। এছাড়া পলাতক আছেন ৫৩ জন।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শক্ত অবস্থান আর শীর্ষ নেতাদের বিচার হওয়ায় এখন অনেকেই স্তিমিত জঙ্গি সংগঠনগুলোর কার্যক্রম। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বিভিন্ন নামে ফের সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে জঙ্গিরা।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, মাঠ পর্যায়ে কর্মী সংগ্রহে এখন কৌশল পাল্টেছে জঙ্গিরা। তবে তাদের উপর নজরদারি আছে ৷