পরিযায়ী উমা সংরক্ষিত থাকবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

।। প্রথম কলকাতা ।।

পেটে খিদে। যন্ত্রণাক্লিষ্ট মুখ। কঠিন সময় কেড়ে নিয়েছে কাজ। লড়াইয়ের মানসিকতা অটুট। আসলে তিনি মা।

৩২তম বর্ষে বেহালা বড়িশা ক্লাবের পরিযায়ী মা ইতিমধ্যে নেটিজেনদের কলমে সুপারহিট।

এ বছর শুরু থেকে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বহু পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যায় পড়েছেন।

তাই এবার পুজোয় সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা তুলে ধরেছিল বেহালা বড়িশা ক্লাব।

চিরাচরিত দুর্গা প্রতিমার পরিবর্তে পরিযায়ী মহিলা শ্রমিকের মূর্তি পূজো করেন তারা।

বড়িশা ক্লাবের মায়ের হাতে কোনও অস্ত্র ছিল না।

মায়ের কোলের সন্তানটি কার্তিক।

গণেশ বসে অসুরের ওপর।

আর এই প্রতিমা নজর কেড়েছে সকলের।

পরিযায়ী শ্রমিক মায়ের রূপ ভাইরাল হয়েছে সর্বত্র।

প্রশাসনে বড়িশা ক্লাবের মায়ের প্রতিমা সংরক্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছে।

প্রতিবছর শহরের সেরা প্রতিমাগুলিকে রবীন্দ্র সরোবরের ভিতরে থাকা মা ফিরে এলো প্রদর্শনীতে রাখা হয়, এছাড়া ইকোপার্কেও প্রতিমা সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।

বরিশা ক্লাবের নজরকাড়া এই প্রতিমা মাটির দিয়ে নয়, ফাইবার গ্লাসের তৈরি।

শিল্পী রিন্টু দাস জানিয়েছিলেন, মণ্ডপে থাকা মা দুর্গার মূর্তি সেই মায়ের রূপ যিনি সূর্যের তেজ,  খিদে এবং যাবতীয় কষ্টকে জয় করে একজন মা হিসেবে তাঁর সন্তানদের জন্য খাবার, পানীয় জল এবং ত্রাণ খোঁজার চেষ্টা করছেন।

জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের, মায়ের এই রূপ, মনে ধরেছিল।

Categories