দু:স্বপ্নের রাত মেসিদের,৭৪ বছর আগের লজ্জা ফিরিয়ে বায়ার্নের কাছে ৮-২ গোলে হার

1 min read

।। শুভব্রত মুখার্জি ।।

খাতায় কলমে এই বায়ার্ন টিম বার্সার থেকে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল‌। মিডফিল্ডার স্যামুয়েল উমতিতির কোভিড পজিটিভ হয়ে ছিটকে যাওয়া ছিল বার্সার কাছে আর ও বড় সেটব্যাক। খেলা শুরু হতেই তা বারবার প্রকট হয়ে উঠল।আর ফলাফল ৭৪ বছরের ইতিহাসে এক লজ্জার রাত ফিরে এল মেসির বার্সাতছ। এমন লজ্জার হার কীভাবে হজম করবে বা আদৌ কি হজম করতে পারবে বার্সেলোনা?

চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের দুরমুশ করল জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন। একের পর এক গোলের মালা পড়ল বার্সা আর দিন শেষে সেমিতে পৌঁছে গেল বায়ার্ন মিউনিখ।লিসবনে কোয়ার্টার ফাইনালে ৮-২ গোলে জিতেছে মুলাররা। জোড়া গোল করেন টমাস মুলার ও ফিলিপে কুটিনিয়ো। একটি করে গোল করেন রবার্ত লেভানদোভস্কি, সের্গে জিনাব্রি, ইভান পেরিসিচ ও জশুয়া কিমিচ।

প্রসঙ্গত এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ৫ গোলের বেশি কোনদিন খায়নি বার্সা। নকআউট পর্বে যেকোনো দলের বিপক্ষে এটি বার্সার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার।

লিসবনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৩০ মিনিটেই ৪-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা।লেভানদোস্কিরা কিছু সুযোগ নষ্ট না করলে ১০ গোলও হজম করতে পারতো বার্সেলোনা। ৪’ টমাস মুলারের গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন।৭’ ডেভিড আলাবার আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বার্সা। ৯’ মিনিটে মেসির বশট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ২০’ একক প্রচেষ্টায় শট নিয়েছিলেন মেসি। যা সরাসরি যায় নয়্যারের কাছে। ২২’ বায়ার্নকে এগিয়ে নেন ইভান পেরিসিচ। ২৭’ ৩-১ করেন নাব্রি। চার মিনিট পর মুলারের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান হয় ৪-১।

দ্বিতীয়ার্ধে মিরাকেল কিছু না ঘটলে এই ম্যাচ আগেই বার্সার হাতছাড়া হয়েছিল। ৫৭’ গোল করে ৪-২ করেন সুয়ারেজ। আশা জাগে ভক্তদের হয়ত লড়াইয়ে ফিরবে বার্সা। কিন্তু আদতে হয় উল্টোটাই । এরপর একপ্রকার রোলার চালিয়ে দেয় বায়ার্ন। ৬’ পরেই পঞ্চম গোল আদায় করে নেয় বায়ার্ন। আলফোন্সে ডেভিসের অসাধারণ অ্যাসিস্টে কিমিখ সহজেই বল পাঠান জালে। স্কোর হয় ৫-২। ৮২ মিনিটে রবার্ট লেভানদোস্কির হেডে স্কোর দাঁড়ায় ৬-২।

প্রসঙ্গত ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে বার্সাকে ৭-০ গোলে হারিয়েছিল বায়ার্ন। ৮৫’ বদলি হিসেবে নেমেই গোল করে ৭-২ করেন বার্সা থেকে বায়ার্নের লোনে যাওয়া নামা ফিলিপ কুটিনহো। পরে আরো এক গোল করে ৮-২ করেন বার্সারই ফুটবলার কুটিনহো। এই ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ।ম্যানচেস্টার সিটি ও অলিম্পিক লিঁওর মধ্যে জয়ী দলের বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলবে বায়ার্ন মিউনিখ।