উঠে আসা সিঁড়িকেই ছুঁড়ে ফেলে দেন মমতা, বিস্ফোরক সুজন

1 min read

।। ময়ুখ বসু ।।

যে সিঁড়ি বেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওঠেন, সেই সিঁড়ি ফেলে দেওয়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বভাব। এভাবেই এবারে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, বাম আমলে তৃণমূলের পুরনো নেতা কর্মীরা যে সম্মান পেতেন, এখন তৃণমূলের আমলে দাঁড়িয়ে সেই সম্মানটুকু পাচ্ছেন না তৃণমূলের পুরনো নেতা কর্মীরা।

সিপিএমের এই পোড় খাওয়া নেতার এই মন্তব্য আসলে জেনে বুঝেই তৃণমূলের চিরাচরিত দুর্বল পয়েন্টে আঘাত হেনে কার্যত রাজ্যে বাম ভোট ব্যাংকের রাজনীতির প্রয়াস বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারনা। শুক্রবার বিকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের এক জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, ২০২১ সালের বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ বিকল্প খুঁজছেন। আর সেই বিকল্প হচ্ছে একমাত্র তৃণমূল বিজেপি বিরোধী মহাজোট।

সুজন চক্রবর্তী দাবি করেন, ২০২১ সালে বাংলার মানুষ যেমন তৃণমূলকে বাতিল করবেন তেমনি বিজেপিকেও বাতিল করবেন। তবে লড়াইয়ের ময়দানে সিপিএম মানুষের পাশে আগে যেমন ছিলো এখনও তেমনই আছে বলেও দাবি করেন তিনি। সুজন দাবি তোলেন, বাংলার মাটিতে তৃণমূল এবং বিজেপির রাজ্য স্তরের নেতারা গুরুত্ব হারিয়েছেন। দুই দলেরই রাজ্য স্তরের নেতা নেত্রীরা এখন মানুষের কাছে ব্রাত্য।

আরো পড়ুন : শুভেন্দুকে ফেরানো গেলেও নন্দীগ্রাম কি ফিরবে তৃণমূলের কাছে?

আর তাইতো পিসি-ভাইপোর কোম্পানির টেন্ডার নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। অন্যদিকে, বিজেপির দিল্লির নেতারা বাংলায় এসে পরিচালনা করছেন বঙ্গ বিজেপির নেতা নেত্রীদের। যারা বাংলাত সংস্কৃতি জানে না তারা এসেছেন বাংলার ভোট নির্ধারণ করতে। সুজনের দাবি, বাংলার মানুষ এই সমস্ত ভিন রাজ্যের নেতাদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে।

বাংলার মাটিতে ভোটের দিন যতো এগিয়ে আসছে ততোই রাজনৈতিক ময়দানে সোচ্চার হতে আরম্ভ করেছে সিপিএমও। তৃণমুল এবং সিপিএমকে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে আসলে বামেরা চাইছেন তাদের পুরনো ভোট ব্যাংককে ফিরিয়ে আনতে। আর সেই প্রয়াসেই এবার ভোট প্রচারের শুরু থেকেই একযোগে তৃণমূল এবং সিপিএমকে আক্রমণ করার পন্থা নিয়েছেন বাম নেতারা।

Categories