ম‍্যায় ভি হু না,মমতার উদ্দেশ্যে টুইট রাজ‍্যপালের

1 min read


।। রাজীব ঘোষ ।।

ম‍্যায় হু না নিয়ে আমার প্রতিক্রিয়া ম‍্যায় ভি হু না। টুইটারে লিখেছেন রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকার। কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ছবি তৃণমূলের পক্ষ থেকে টুইট করা হয়। সেই ছবিটির ওপরে লেখা রয়েছে ম‍্যায় হু না। মমতার উদ্দেশ্যে রাজ্যপাল টুইটারে লেখেন সংবিধানের প্রকৃত ভাবধারায় আমরা উভয়েই সাংবিধানিক কর্মী হিসেবে রাজ্যের উন্নতির জন্য কাজ করবো। চেষ্টা করব জনগণের দুর্ভোগ প্রশমণ করতে।

তবে রাজ্যপালের এই প্রতিক্রিয়ায় সাড়া পড়েছে নেট দুনিয়ায়। অনেকেই বলছেন রাজ্যপালের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকট হয়েছে। প্রত্যেকটি কথায় সংবিধানের দোহাই দিয়ে তার কাজকর্ম দেখে কথাবার্তা শুনে স্পষ্ট রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে তার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যের মানুষকে বরাভয় দিতে তিনি নেমেছেন। অতীত এরকম ভূমিকায় রাজভবন কে দেখা যায়নি। যদিও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর বারবার বলেন সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যের মানুষের ভালো-মন্দ দেখার অধিকার রয়েছে।

তিনি সেটাই পালন করছেন। তার সমস্ত কথা নিয়ে তৃণমূল দলগতভাবে প্রতিক্রিয়া দেয় না। কারণ তারা মনে করেন সব কথার জবাব দেওয়া মানে গুরুত্ব বাড়িয়ে দেওয়া। বিজেপির নেতারা বলছেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা একটা অভিযোজন এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই রাজ্যে শাসক দল এবং সরকারের অসাংবিধানিক এবং অগণতান্ত্রিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ শোনার কেউ নেই। তবে তৃণমূলের অনেক নেতাই বলছেন রাজ্যপাল যেটা শুরু করেছেন তাতে নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ বিজেপির রাজ্য সভাপতি করে দিতে পারেন যেকোনো দিন।

অভিযোগ রয়েছে পুলিশ ও প্রশাসনকে দিয়ে শাসকদল বিরোধীদের দমনের চেষ্টা করছে। আবার রাজ্যপাল প্রতিদিন যে রকম কথা বলছেন তাতে বিজেপি এবং বিরোধীদের রাজনৈতিকভাবে সুবিধা করে দিচ্ছে। তিনি সরকার এবং শাসক দলকে ছেড়ে কথা বলছেন না। অনেকের মনে হচ্ছে রাজ্যপালের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। রাজ্যপালের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।