তৃণমূলের নয়া রাজ্য কমিটিতে জায়গা পেলেন আলিমুদ্দিনের ঋতব্রত থেকে লালগড়ের ছত্রধর

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

একুশে জুলাইয়ের পরেই তৃণমূলের নয়া রাজ্য কমিটিতে জায়গা পেলেন লালগড়ের ছত্রধর মাহাতো এবং বহিষ্কৃত সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।যা দেখে অনেকে বলছেন, একুশের ভোটের আগে এলিট আর অনগ্রসর শ্রেণির অদ্ভুত ভারসাম্য রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।২০০৯ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকার ইউএপিএ আইনে গ্রেফতার করেছিল ছত্রধরকে।

কাঁটাপাহাড়ি বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল এই আদিবাসী নেতাকে। তারপর ১০টা বছর জেলে থেকেছেন তিনি। হাইকোর্ট তাঁর সাজা কমিয়ে ১০ বছর করে দিয়েছিল। কিন্তু উনিশেও মুক্তি পাননি ছত্রধর। ঘাটশিলার অন্য একটি মামলায় তাঁকে বন্দি থাকতে হয়। কাকতালীয় হল, ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সরকার পতন হতেই ছত্রধর মুক্তি পান। এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসকেএম-এর উডবার্ন ওয়ার্ড থেকে লালগড়ে ফেরেন এই জনসাধারণের কমিটির নেতা।

ছত্রধরের মুক্তির পর অনেকেই আন্দাজ করেছিলেন, এবার জঙ্গলমহলে ওঁর মুখের দিকেই তাকিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে তৃণমূল। তারপর একাধিকবার জেলা সফরে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছে ছত্রধরের সঙ্গে বৈঠক করতে। এবার রাজ্য কমিটিতেও নেওয়া হল তাঁকে।তবে তাৎপর্যপূর্ণ হল ঋতব্রতর রাজ্য কমিটিতে ঠাঁই পাওয়া। এই ক’বছর আগেও টেলিভিশন থেকে জনসভা, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যেখানে সুযোগ পেতেন মমতার সমালোচনায় তাঁর জুরি ছিল না।

কিন্তু নানান অভিযোগে সিপিএম তাঁকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়। যদিও ঋতব্রতর অভিযোগ, মহম্মদ সেলিম অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিহিংসার শিকার তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, তিনি সীতারামপন্থী বলেই কারাট শিবিরের লোক হয়ে বাংলায় তাঁর বিরুদ্ধে বদলা নিয়েছেন সেলিম। কিন্তু রাজনীতিতে অনিত্য বলে কিচ্ছু হয় না। আর ঋতব্রত এখন রাজ্য কমিটির সদস্য।এখন দেখার এই দুই নতুন নেতাকে কী ভাবে ব্যবহার করে তৃণমূল।