নবমীতেও তৎপর লালবাজার

1 min read

।। শর্মিলা মিত্র ।।

করোনা আবহের মধ্যে নিউ নর্ম্যালের হাত ধরে প্রায় শেষের পথে ২০২০-র দুর্গাপুজো। করোনা সংক্রমণ রুখতে দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে নো এন্ট্রি জোন করে সম্পন্ন হচ্ছে এবছরের দুর্গাপুজো। হাইকোর্টের রায়ের পর মনে হয়েছিল, পুজোতে এবার ভিড় হয়তো কিছুটা কমবে ৷ কিন্তু কোথায় কী ? অন্যান্যবারের তুলনায় কিছুটা কম হলেও ঠাকুর দেখতে হোক কিংবা খেতে, রাস্তায় রোজই বেরিয়েছেন বহু মানুষ।

সপ্তমী হোক বা অষ্টমী কোনও কোনও মণ্ডপের বাইরে প্রচুর মানুষের ভিড় দেখে বোঝাই কঠিন ছিল যে এবছরটা অন্যান্য বছরের থেকে আলাদা। করোনা কিন্তু এখনও রয়ে গিয়েছে আমাদের মধ্যে। মণ্ডপ দর্শনের পাশাপাশি কিন্তু রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে রাস্তায় ফুচকা, চাউমিন, রোল খাওয়ার ভিড়ও কিছু কম ছিল না এই দুদিন। আর তাই, নবমীর দিনও ঢিলেমির কোন জায়গা নেই বলেই মনে করছে লালবাজার।

আরো পড়ুন : নুসরত, সৃজিতদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করার উদ্য়োগ

যদিও, বেশিরভাগ পুজো মণ্ডপেই শুধুমাত্র ক্লাব সদস্যদের জন্যই আয়োজন ছিল অষ্টমীর অঞ্জলির। বাইরের দর্শনার্থীদের জন্য মণ্ডপে ঢোকা ছিল বারণ। পাশাপাশি বেশিরভাগ পুজো মণ্ডপেই অষ্টমীর অঞ্জলির ক্ষেত্রেও সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মানার পাশাপাশি স্প্রে এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেও দেখা গিয়েছে।

তবে অন্যান্যবারের তুলনায় শহরের বেশ কিছু জায়গায় ভিড় কমই লক্ষ্য করা গেলেও, নবমীর দিন মানুষের বাইরে বেরোনোর প্রবণতার জন্য ভালই উদ্বেগ থাকছে পুলিশ আধিকারিকদের। সপ্তমী অষ্টমী দু দিনই পুজো নিয়ে ভালোই উৎসাহ চোখে পড়েছে বেহালাসহ দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন অংশে। যদিও, হাইকোর্টের নির্দেশে কিছুটা ফল মিললেও, নবমীর দিন ঢিলেমি দেওয়ার কেন জায়গা নেই বলেই মনে করছে লালবাজার। তাই, নবমীতেও তৎপর লালবাজার।

Categories