Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

“বেসুরো”শব্দ আর ব্যবহার না করাই ভালো, তবে কিছু বললেন শতাব্দী..

1 min read

।। শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত ।।

তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ কী দশা চলছে? দলের সবাই এ ভাবে তাঁকে চমকাচ্ছেন? এবার দলকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাব এর ফেসবুক পেজ তিনি লিখেছেন “যদি কোনও সিদ্ধান্ত নিই ১৬ জানুয়ারী ২০২১ শনিবার দুপুর দুটোয় জানাবো। কার ওপর রাগ হয়ে তিনি এসব লিখলেন? তিনি কী লিখেছেন ফেসবুক-এর পাতায় হুবহু আমরা সেটা তুলে দিলাম পাঠকদের জন্য।

বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-

২০২১ খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। আমি তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়।

বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-2021 খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত…

Posted by Satabdi Roy Fans' Club on Thursday, 14 January 2021

গত দশ বছরে আমি আমার বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের কাছে বা আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে কাটিয়েছি, আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কাজ করার, এটা শত্রুরাও স্বীকার করে। তাই এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ২০০৯ সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব। সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন।

আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব। যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী ১৬ জানুয়ারি ২০২১ শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব। শতাব্দী রায় লিখেছেন, এখন অনেকে তাঁকে প্রশ্ন করছেন কেন তাঁকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। তিনি তাঁদের বলেছেন যে তিনি সর্বত্র যেতে চান । মানুষের সঙ্গে থাকতে তাঁর ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না তিনি মানুষের কাছে যান। এই “কেউ” টা কে? প্রশ্ন সেটাই। কেননা বীরভূম তৃণমূলের একটা কাজ অনুব্রত মণ্ডলের অঙ্গুলিহেলনে ছাড়া হয় না। কাজেই শতাব্দী রায়কে সভা-সমিতিতে চাইলে একমাত্র ডাকতে বা না ডাকতে অনুব্রত মণ্ডলই পারেন। তাই প্রশ্ন উঠছে শতাব্দী রায়ের অভিযোগের আঙ্গুল কী অনুব্রত মণ্ডলের দিকে?