লকডাউনে করোনা সংক্রমন কি কমছে, জানালেন বিশিষ্ট চিকিৎসক

।। প্রথম কলকাতা ।।

সারা বিশ্বের মতো এই দেশ তথা এই রাজ্যেও বেড়ে চলেছে করোনা প্রকোপ। তাই করোনা সংক্রমনে লাগাম টানতে শুরু হয়েছে সাপ্তাহিক লকডাউন। আর আজ সাপ্তাহিক লকডাউনের দ্বিতীয় দিন।কিন্তু এই লকডাউনের ফলে আদৌ কি করোনা সংক্রমন রোখা যাচ্ছে ?

আদৌ কি কমছে করোনার প্রকোপ , কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে এই লকডাউন তা জানতে প্রথম কলকাতার তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল বিশিষ্ট চিকিৎসক কুনাল সরকারের সাথে। আমাদের প্রতিনিধি শর্মিলা মিত্রের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কি জানালেন তিনি ?আসুন জেনে নেওয়া যাক…

যত পরীক্ষা হবে তত কি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে এই প্রশ্নের উত্তরে কুনাল বাবু জানান এর কোন হু বা এপিডেমিওলজিক্যাল মডেলরা বলেছে দিনে যদি ৫০০ টেস্ট ফর মিলিয়ন পপুলেসেন করা হয় প্রতিদিন তাহলে সেটা খুব আশাপ্রদ।এখন আমরা যদি প্রতি দশ লক্ষ মানুষের প্রতিদিন ৫০০ টা টেস্ট করতে যাই তাহলে সেই হিসাবে আমাদের দিনে প্রায় ৫০,০০০ টেস্ট করতে হবে।

কাল ১৫০০০ হাজারের বেশি টেস্ট হয়েছে সেটা যদি আমরা ২০০০০ করতে পারি তাহলে হয়ত সদরথক কিছু করা যায়। উত্তর ২৪ পরগনা , মালদা , জলপাইগুড়ি যেখানে করোনার দাপাদাপি বেশি সেখানে ল্যাবের সংখ্যা বাড়াতে হব। খানিকটা আর্টিফিশিয়াল টেস্ট বাড়িয়ে খানিকটা অ্যান্টিজেন টেস্টর সাহায্য নিয়ে আমরা যদি ২০০০০ টেস্টর কাছাকাছিও আসতে পারি সেটাও খুব খারাপ হবে না।

আমরা তাহলে হয়ত রেট অফ স্প্রেডটাকে হয়তো কমাতে পারব। এখন হসপিটালে যথেষ্ট পরিমান বেড দেওয়া , রোগীরা যাতে হয়রান হয়ে ফিরে না যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে।লকডাউন প্রসঙ্গে তিনি বলেন লকডাউনের কিছু প্রভাব পড়বে , লকডাউনের সঙ্গে আমদের টেস্টিং কে কম্বাইন্ড করতে হবে। তিনি আরও এই স্টেট অফ প্যানডামিকে কমিউনিটি স্প্রেড হওয়াটা অনিবার্য।

এখন মানুষ কে সতর্ক থাকতে হবে বলে এদিন উল্লেখ্য করেন তিনি যাতে স্প্রেড অফ ইনফেকশন কমানো যায়। ইনফেক্টেড পেসেন্ট থেকে নন ইনফেক্টেকে যতদূর পারা যায় আলাদা রাখতে হবে।এই ররকম ভাইরাল প্যানডমিকে যে দেশে গেছে সেই দেশকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে , আর আমদের মতো এরকম অগছাল একটা সিস্টেম যেখানে চলছে সেখানে আমদের বেক্তি বিশেষকে, মানুষকে আরও বেশি সাবধান হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।