স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান,গাইডলাইন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের


।। রাজীব ঘোষ ।।

করোনা আবহে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও এবার গাইডলাইন্।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে গাইডলাইনে জানানো হয়েছে দিল্লির লালকেল্লা প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান ছোট করা হচ্ছে। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পঞ্চায়েত স্তরে কিভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে তার গাইডলাইন দিল কেন্দ্র। প্রতিবছর দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের দিন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান এবারে কিছুটা ছোট করে দেওয়া হয়েছে।

এবছর লালকেল্লার অনুষ্ঠান শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র বাহিনী এবং দিল্লি পুলিশের গার্ড অফ অনার দেওয়ার মাধ্যমে। তারপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সংগীত গাওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই গাইডলাইনে বলা হয়েছে প্রতিবছরের মতো এবছরও সারা দেশে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে। তবে বর্তমানের করোনা সংক্রমনের কথা মাথায় রেখে সব জায়গায় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।

মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।স‍্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এছাড়াও কোথাও যেন জনসমাগম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে প্রশাসনকে। সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সকাল নটার পরে পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজ্যের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী পতাকা উত্তোলন করবেন। করোনা আবহে যেন জনসমাগম কম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এইসব অনুষ্ঠানে করোনা যোদ্ধা অর্থাৎ ডাক্তার নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মান জানানোর জন্য তাদের আমন্ত্রণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া করোনাকে কে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। স্বাধীনতা দিবসের দিন বিভিন্ন জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিন এবং মাইক বসিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পুলিশ মিলিটারি ব্যান্ডের পারফরম্যান্স দেখানো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের গাইডলাইন। দেশের প্রতি ভালোবাসা জানানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে গাইডলাইনে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের মন্ত্রকে ছড়িয়ে দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে এই গাইডলাইনে। করোনা আবহে সব সামাজিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অনেক নিয়ম নীতি মানতে হচ্ছে। একই রকমের নিয়ম মানতে হবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও।