মমতার সৎসাহস থাকলে বিধায়ক মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত করুন:অগ্নিমিত্রা

1 min read

।। রাজীব ঘোষ ।।

হেমতাবাদ এর বিধায়ক খুন হলেন।যদিও সরকার বলছে খুন নয় আত্মহত্যা। অবাক ব্যাপার একজন বিধায়কের সুরক্ষা রাজ্য সরকার দিতে পারছে না। তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে। অভিযোগ করে বলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এদিন তিনি সাক্ষাৎকারে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন। একজন মানুষকে রাত্রিবেলা বেশ কয়েকজন মিলে ডেকে নিয়ে গেল।

পরের দিন তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ পাওয়া গেল। তার পকেটে মোবাইল ফোন পেন চশমা রয়েছে। তার পরনের পোশাকে মাটির দাগ নেই। অথচ তার বাড়ির সামনে প্রচন্ড কাদা রয়েছে সেটাই সবাই বলছে। একজন আত্মহত্যা করতে যাচ্ছেন এত পরিকল্পনা তৈরি করে। প্রশ্ন করেন অগ্নিমিত্রা। প্রসঙ্গত, হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের রহস্যজনক মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে এদিন তার পরিবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অগ্নিমিত্রার প্রশ্ন পুলিশ সুপার জানিয়ে দিলেন এটা সুইসাইড। তখনও তিনি যাননি। কিন্তু প্রথমেই বলে দিলেন তার পকেটের চিরকুটের কথা। সেই সময় কেউ বলেনি। তারপরে তারা বলছেন বিধায়কের পকেটে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। এই সবকিছু দেখে মনে হয়েছে এটা সম্পূর্ণভাবে খুন। বিজেপির কর্মী এপর্যন্ত ১০৬ জন মারা গিয়েছেন। তদন্ত চলছে। আজ পর্যন্ত কোনো ন্যায়বিচার পাওয়া যায়নি।

তাই সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুকুর-বিড়াল মরলেও সিবিআই তদন্তের দাবি জানাতেন। সেখানে একজন বিধায়ক মারা গেলেন সেখানে মমতার আপত্তি হচ্ছে কেন। এর আগে সত্যজিৎ বিশ্বাস মারা গেলেন তার সিআইডি তদন্ত হয়েছিল। এখনো পর্যন্ত তার কোনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। এটা চিরাচরিত প্রথা। এই কারণেই সিআইডির উপরে কোনো ভরসা নেই। সিআইডি এমন একটি সংস্থা যেটা সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকারের অধীনে।

মুখ্যমন্ত্রীর যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে সিবিআই তদন্ত করুন। সেটা তিনি করবেন না। কারণ এই খুনের সঙ্গে তাদের কর্মীরা জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন অগ্নিমিত্রা পাল। উল্লেখ্য, বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ কে চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তিনি বিজেপি ভুল তথ্য দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় হেমতাবাদ এর বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাকে অভিযোগ জানান কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তারপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেন।