Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

এই ধরণের জনবিরোধী বিল কোনও সরকার আনতে পারে ভাবতেও পারি না, কটাক্ষ কাকলির

1 min read

(কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সাংবাদিক বৈঠক )

।। সুদীপা সরকার ।।

কৃষক পরিবারের স্বার্থে কৃষকের স্বার্থে ভারত সরকারের উচিত কৃষি আইন গুলো প্রত্যাহার করে নেওয়া। এই আইন গুলো যেমন একদিকে কৃষি বিরোধী ঠিক সেইভাবেই জনসাধারণ বিরোধী। আজ তৃণমূল ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।তিনি জানান প্রথম আইনে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল ডাল আলু অত্যাবশ্যকীয় পণ্য থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরফলে মজুতদারদের হাত কে শক্ত করা হয়েছে। এই ধরনের জনবিরোধী বিল কোন কেন্দ্রীয় সরকার আনতে পারে এটা ভাবতেও পারিনা।বীজ সার কীটনাশক সেচ ফ্যামিলি লেবার সহ কৃষকদের নানান বিষয় গুলো মাথায় না রেখে এই বিল করা হয়েছে।

সংসদীয় রীতি-নীতি উপেক্ষা করে অর্ডিন্যান্স পাশ করে কৃষক বিল। এই সরকার অগণতান্ত্রিক সরকার কৃষি বিরোধী এবং জনবিরোধী সরকার বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।দ্বিতীয় আইনটি নীলচাষের সাথে তুলনা করেন তিনি। গায়ের জোরে কৃষককে বাধ্য করা হচ্ছে বৃহৎ পুঁজির সঙ্গে আঁতাত গড়ে তুলতে। বৃহৎ পুঁজিপতির স্বার্থে কাজ করছে এই সরকার। রাজ্য সরকারের মনিটরিং বাইপাস করে এই পুঁজিপতিরা কৃষকের কাছে ফসল কিনতে পারবে। কিন্তু যদি অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি তে ফসল ভাল না হয় তখন কিন্তু তারা বাধ্য থাকবে না। এই আইনে বলা হয়েছে কৃষকেরা কোর্টে যেতে পারেন। প্রান্তিক কৃষকের টাকা খরচ করে কিভাবে সুপ্রিম কোর্টে বা অন্যান্য কোর্টে মামলা লড়বেন সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আরো পড়ুন : কেডি সিংহকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ছ’ঘন্টা, একটাই প্রশ্ন করেন কেডি সিংহ, “মুকুলদা কী বললেন”

কাকলি ঘোষ দস্তিদার (kakoli Ghosh dastidar) বলেন রাজ্য সরকার কৃষকদের জন্য সেচের ব্যবস্থা করছে কিষাণ মান্ডি তৈরি করছে ঘরের কাছে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে চাষের সরঞ্জাম দিচ্ছে কিষান ক্রেডিট কার্ড দিয়ে সাহায্য করছে মিউটেশন খরচ করেছে রাজ্য সরকার। তৃতীয় আইন টিও কৃষক বিরোধী। পশ্চিমবঙ্গে অনেক এমন কৃষক আছেন যাদের এক হেক্টর জমি রয়েছে। তারা ঘরের কাছেই ফসল বিক্রি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। দেশের মানুষের সম্বন্ধে কিছু জানেনা। পার্লামেন্টে গায়ের জোরে বিল পাস করে এই সরকার। এই সরকার সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী।

তাই আমরা এগুলোর বিরোধিতা করছি।কেন্দ্রীয় সরকারের দায় বদ্ধতা দেশের মানুষের জন্য নেই কেন্দ্রীয় সরকারের দায় বদ্ধতা কিছু কতিপয় পুঁজিপতিদের জন্য আছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেন তিনি। পাশাপাশি তিনি দাবি জানান পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের গত ৯ বছরে তিনগুণ আয় বেড়েছে।কৃষি বিল অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। প্রসঙ্গত মোদি সরকার দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে কৃষি বিল নিয়ে। মোদি সরকার বলছে এই বিল প্রত্যাহার হলেই কৃষকদের ক্ষতি দালালদের লাভ। আবার অন্যদিকে কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্র এবং কৃষকদের দ্বন্দ্ব সমাধানে মধ্যস্থতার রাস্তায় হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।