সিভি বা বায়োডাটা লিখবেন কিভাবে, জেনে নিন

।। শুভশ্রী মুহুরী ।।

চাকরির খোঁজ আমাদের সর্বদাই থাকে। একটু ভালো করে তাকালে বাজারে চাকরির অভাব হয় না। তবে এমন অনেকে রয়েছেন যারা একাধিক জায়গায় ইন্টারভিউ দিয়েছেন অথচ চাকরি পাননি। চাকরির জন্য যোগ্য হয়েও কেন চাকরি পেলেন না সেই উত্তর খুঁজেছেন। আসলে চাকরির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নোটিস বোর্ডে লিখে দেওয়া যোগ্যতা মিলে গেলে চলবে না। নিজেকে প্রকৃত অর্থেই যোগ্য করে তুলতে হবে। এর জন্য কি করবেন?

আজকাল সকল চাকরিতেই সিভি বা বায়োডাটা চাওয়া হয়। চাকরিদাতারা সর্বপ্রথম এই বায়োডাটার মাধ্যমে আপনাকে জানতে পারেন। যাবতীয় ধারণা তৈরী হয় এই বায়োডাটা থেকেই। তাই ঝাঁ চকচকে একটি বায়োডাটা তৈরী করা উচিৎ। বিষয়টি খুব একটা কঠিন নয়। যাদের বাড়িতে কম্পিউটার রয়েছে তাঁরা তো বাড়িতেই সিভি তৈরী করতে পারেন। কিন্তু যাদের নেই তাঁরা কোনো সাইবার ক্যাফেতে যেতে পারেন। সব জায়গাতেই কিছু ডেমো বায়োডাটা থাকে। সেই ফরম্যাট দেখলেই আপনার বায়োডাটা সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হবে।

সিভি মানে হচ্ছে আপনার দক্ষতার রেকর্ড। খুব পরিচ্ছন্নভাবে এই সিভি তৈরী করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, সেখানে এমন কিছু লিখবেন না যার সপক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না। সিভি কিভাবে সাজাবেন?

ব্যাক্তিগত তথ্যঃ সিভির প্রথমেই নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিন। আপনার নাম,ফোন নম্বর,বাড়ির ঠিকানা, ইমেইল আইডি। এবং আপনার একটি ছবি।

সারাংশঃ দ্বিতীয় ধাপে খুব সংক্ষেপে নিজের সম্পর্কে লিখতে হবে। অর্থাৎ আপনার জীবনের লক্ষ্য কি, আপনি বর্তমানে কেমন কাজের সাথে যুক্ত এইসব। ১০০ শব্দের মধ্যেই এই সারাংশ লেখার চেষ্টা করবেন।

কাজের অভিজ্ঞতাঃ এই পয়েন্টে আপনি আগে যদি কোথাও কাজ করে থাকেন সেই প্রতিষ্ঠানের নাম এবং আপনি কেমন কাজ করতেন সেই বর্ননা দিন।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এই পর্যায়ে আপনি মাধ্যমিক কোথা থেকে পাশ করেছেন, উচ্চমাধ্যমিক কোথা থেকে পাশ করেছেন। গ্র্যাজুয়েশন কোথা থেকে করেছেন এবং সব পরীক্ষার ফলাফল কেমন সেই তথ্য লিখুন।

দক্ষতাঃ আপনি যে কাজের জন্য আবেদন করছেন সে বিষয়ক কোনো দক্ষতা থেকে থাকলে এই পর্যায়ে লিখুন। আপনার যদি অন্য কোনো দক্ষতাও থেকে থাকে তা এইখানে লিখতে পারেন।