Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

তৃতীয় দফার ভোটের ছবি কেমন দেখলেন? মতামত দিলেন প্রথম কলকাতার পাঠকেরা

1 min read

।। সুদীপা সরকার ।।

রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোট শেষ হয়েছে। চতুর্থ দফার ভোটের জন্য চলছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার। রাজের তৃতীয় দফার ভোটে হাওড়া, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩১ টি আসনে ভোট হয়। ৩১ টি আসনেই প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। তৃতীয় দফার ভোটের অভিমুখ থেকেই স্পষ্ট তৃণমূল বিজেপির মধ্যে জোর টক্কর চলছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৬ টি আসন, হাওড়ায় ৭ টি আসন ও হুগলিতে আটটি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। প্রথম কলকাতা তার পাঠকদের কাছে প্রশ্ন রেখেছিল আপনি কী এই এলাকার ভোটার? কেমন দেখছেন আপনার এলাকার ভোটের ছবি? লিখুন আপনার মন্তব্য। আপনার মন্তব্য থেকেই হবে খবর। প্রথম কলকাতার ডটকমে পড়ুন খবর।

প্রথম কলকাতার প্রচুর প্রচুর পাঠক তাঁদের ব্যস্ততাকে একপ্রকার উপেক্ষা করেই আমাদের পেইজে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন। যে সমস্ত পাঠক আমাদেরকে মতামত জানিয়েছেন তাঁদের প্রথম কলকাতার পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে অসংখ্য ধন্যবাদ। সুশান্ত পণ্ডিত লিখেছেন, উদয়নারায়নপুর বিধানসভা খিলা অঞ্চলে ১১.৩০ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোট চলেছে।

বাম আমলে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এরকম ভোট হতে আমরা দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। জয় জগন্নাথ লিখেছেন, হরিপালে দুই-একটা হাঙ্গামা হলেও ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। সব বুথেই মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছেন। তন্ময় মন্ডল লিখেছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিভিন্ন বুথে হুমকি, বাধা, ভয় দেখানো চলছে। কৌশিক ব্রহ্মচারী লিখেছেন ভোট চলছে করোনা বাড়ছে। সমু মন্ডল লিখেছেন ,ফলতা বিধানসভার ২৫৩ ,২৫৪ নম্বর বুথে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে।

শুভঙ্কর চক্রবর্তী জানিয়েছেন ,আমি ১৯৪ চন্ডীতলা বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত। এখানে ১০ তারিখ চতুর্থ পর্বের ভোট। ১৯ লোকসভা ভোটের পর টিএমসির দাদাগিরি অনেক কমে গেছে। পঞ্চায়েত ভোটের সময় অনেক অত্যাচার ভয় দেখিয়ে ভোট করেছিল। সঞ্জিব রায় লিখেছেন, টিএমসি ২মে ক্লিয়ার। গর্গ দাস লিখেছেন, বারুইপুর শহরে কোনো উপদ্রব হয়নি।

কিন্তু গ্রামাঞ্চলে হয়েছে তার খবর পাওয়া গেছে। শিব শংকর ঘোষ লিখেছেন, আগের দিন সন্ধ্যা থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিএমসির ভদ্রলোকগুলো ধমকি দিয়ে আসে বিজেপি সমর্থক গোষ্ঠী যেন ভোট দিতে না যায়। কোথাও সফল হয়েছে কোথাও বিফল। আমাদের ওখানে তাড়া খেয়ে মার দিয়ে দৌড়ে পালিয়েছে। পিনাকি দাস লিখেছেন, আমাদের বাংলা কি শেষ পর্যন্ত মুসলিম রাষ্ট্র হতে চলেছে? এসব কি দেখছি? কি চায় ওরা।

সিদ্ধার্থ মন্ডল লিখেছেন, টিএমসি যেখানে আছে সেখান থেকে ভোটের ভালো চিত্র আসবে এটা আশা করা মস্ত বড় ভুল। সাদ্দাম হোসেন সরদার লিখেছেন,কেন্দ্রীয় বাহিনী জয়বাংলা মাস্ক ব্যবহার করতে দেয়নি আমাদের এখানে অথচ আমাদের বুথে কোনো বিজেপি ভোটার নেই। চিন্ময় লিখেছেন, গরিব মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে টিএমসি ১৯৯ পুরশুরাতে। শ্যামাপ্রসাদ দত্ত লিখেছেন,আমি ধনেখালির গুরাপ থেকে বলছি বিজেপি এখানে জিতবে।

অনুপম কুন্ডু লিখেছেন, আমি বরজোড়া বাঁকুড়া থেকে বলছি। এখানে টিএমসি অনেক ঝামেলা করেছে কিন্তু জিতবে না। বাঁকুড়া পুরুলিয়া জেলায় সব সিট বিজেপি জিতবে। আবুল খান লিখেছেন টিএমসি ২০০পার। রিয়া কুন্ডু লিখেছেন,আরামবাগের একটি জায়গাতে চপ মুড়ি ও আখের রস খাইয়ে ভোটারদের ভোট দিতে বলছে টিএমসির গুন্ডারা। একটু খবর নিন। রাজু লিখেছেন টিএমসি জিতছে। আগামী পাঁচ বছর বাংলার শাসনের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে চলছে তার লড়াই।

সাম্প্রতিককালে বাংলায় এত কঠিন নির্বাচন হয়নি বলে মনে করছেন অনেকেই।প্রত্যেকটি পর্বে ভোট মিটতে না মিটতে অংক কষে ফেলছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি কিন্তু অংকের যোগ বিয়োগ ঘটাবে জনতা। তৃতীয় পর্বের ভোটের হাওয়া কেমন হতে পারে তার জন্য পাঠকদের কাছে প্রশ্ন তুলে ধরেছিল প্রথম কলকাতা। যে যার নিজের এলাকা থেকে তাঁদের মতামত, সুবিধা অসুবিধার কথা আমাদেরকে জানিয়েছেন। আশা রাখছি আগামী পর্বের ভোটেও আপনাদের মতামত আমরা পাব।