করোনার ধাক্কায় অনাহারে দিন কাটছে ঘোড়ার গাড়ির চালকদের

।। প্রথম কলকাতা ।।

কলকাতায় ঘোড়ার গাড়ি ছিল এক সময়ের ফ্যাশন। ঘোড়ার গাড়ি ছিল সামাজিক স্ট্যাটাস এর অন্যতম সিম্বল। 1১৯৭৫সালের উইলিয়াম জনসন নামের এক ইংরেজ ব্যক্তি কলকাতার পনডিতিয়া অঞ্চলে প্রথম ঘোড়ার গাড়ির কারখানা তৈরি করেন। তখন অবশ্য ঘোড়ার গাড়ি ভাড়া খাটত না। ব্যক্তিগত গাড়ি চলত রাস্তায়। উনিশ শতকের প্রথমদিকে ঘোড়ার গাড়ি ভাড়ায় খাটতে শুরু করে।

সস্তায় পুষ্টিকর আর সময় বাঁচানোর এমন সুন্দর ব্যবস্থা পেয়ে শহরবাসী যেন আনন্দে ভরে উঠলো। শুরু হলো ঘোড়ার গাড়ির ভাড়া খাটা। বর্তমানে বিড়লা তারামণ্ডল, পার্কস্ট্রিট ধরে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যান অনেকেই ময়দানে।তারপরই কিছুক্ষণের জন্য উঠে পড়েন ঘোড়ার গাড়িতে। মিনিট পনেরোর ভ্রমণ সেরে আবার ফিরে আসা ময়দানে ।

পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য যেমন সেজে ওঠে ঘোড়ার গাড়ি গুলি তেমনই চালকরা সাজিয়েছেন তাদের গাড়ি গুলি। কিন্তু করোনার জন্য পেটে টান পড়েছে ঘোড়ার গাড়ি গুলির চালকের এবং অবলা ঘোড়া গুলিও। লোকডাউনে ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ।

রোজগার নেই নেই খাবারের জোগার সুযোগ ও। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। লোকটামনে থমকে গেছে শহরের ঘোড়াগাড়ি গুলির চাকা। পাকিস্টান পড়েছে ঘোড়ার গাড়ির মালিক ও চালকদের।

ফলে তাদের আবেদন রাজ্য সরকার যদি কোনো ব্যবস্থা নেয় তা হলে বাচাঁনো যাবে ঘোড়াগুলি কে এবং তাদেরও কিছুটা সুরাহা হবে।