পাহাড়ে যাচ্ছেন রাজ্যপাল, শুরু বিতর্ক

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের জন্য দিল্লি গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বৈঠকের পর তিনি একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করলেও তাঁর প্রশাসনকে এদিন তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। আর দিল্লি থেকে ফিরেই তিনি প্রায় এক মাসের জন্য পাহাড় সফরে যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে রাজ্যপাল ১ নভেম্বর থেকে এক মাসের জন্য পাহাড়ে থাকবেন। এ প্রসঙ্গে এদিন জগদীপ ধনকড় বলেন, ‘ আমি দার্জিলিং যেতেই পারি। এর আগেও তিনবার উত্তরবঙ্গে গিয়েছি। প্রশাসনকে চিঠি দিলে উত্তর পাওয়া যায় না। তাই কাজ করার জন্য,  মানুষের মন বোঝার জন্য উত্তরবঙ্গে যেতে চাই। সেখানকার মানুষের কথা শুনতে চাই’ ।

স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফরকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজ্য প্রশাসন যে একেবারেই ভাল চোখে দেখছে না তা পরিষ্কার। এর আগেও রাজ্যপাল তাঁর নিজের মতো করে জেলা সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে আমলাদের বা জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। যা নিয়ে মিডিয়ার সামনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাই তাঁর পাহাড় সফর ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কিছুদিন আগেই পাহাড়ের মোর্চা সুপ্রিমো  বিমল গুরুং বলেছেন তিনি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পাশেই থাকবেন। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে বলেছেন যে, মমতা পাহাড়ের জন্য অনেক কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন: দিল্লি গিয়ে মমতা-প্রশাসনকে তীব্র তোপ রাজ্যপালের

কিন্তু বিজেপি গোর্খাল্যান্ড করার কথা বললেও বাস্তবে সেটা তারা করেনি। তাই বিমল গুরুং এবার তৃণমূলের পাশে থাকবেন বলে কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন। আর তার সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই রাজ্যপাল পাহাড় সফরে যাচ্ছেন। এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন মাথাচাড়া দিচ্ছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আগামী একমাস পাহাড়ে রাজ্যপালের গতিবিধির ওপর নজর থাকবে রাজ্য প্রশাসনসহ রাজনৈতিক মহলের।

Categories