শান্তিনিকেতনে শান্তি ফেরানোর বৈঠকে গরহাজির বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

।। হিমাদ্রি মণ্ডল, বীরভূম ।।

গত পরশুদিন মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছিল তার পরেই নড়েচড়ে বসে রাজ্য সরকার। তড়িঘড়ি বীরভূম জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের বৈঠকের জন্য বলা হয়। সেই মতো এদিন, বোলপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে একটি বৈঠক হয়।

বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন বীরভূম জেলা শাসক জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং, জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা ও বোলপুরের সাংসদ এছাড়াও ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর এবং বোলপুরের ব্যবসায়ীরা। তবে এই বৈঠকে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে আহ্বান জানানো হলেও তিনি এই বৈঠকে আসেননি। মেলার মাঠের পাঁচিল দেওয়া নিয়ে যে ঘটনা তার সমাধানের জন্য হতে চলা বৈঠকে অংশ নেননি। সেক্ষেত্রে বিশ্বভারতী যুক্তি রয়েছে অন্য। তাদের দাবি বৈঠক করতে হবে বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে।

বৈঠক শেষে জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা জানান, “উনারা বৈঠকে আসেননি তবে উনাদের বক্তব্য জানতে পেরেছি। পাশাপাশি এদিন এখানে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের সকলের বক্তব্য শুনেছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যে রেজুলেশন তৈরি করব সেই রেজুলেশনের একটি কখন অবশ্যই আমরা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকেও দেবো।”

অন্যদিকে ঘটনার দিন পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। সেবিষয়ে এদিন বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং জানান, “আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে এবং ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি যাদের নামে অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”