মোদীকে চিঠি গহলৌতের

।। রাজীব ঘোষ ।।

আমার জানা নেই এই সম্পর্কে আপনি কতটা অবহিত বা কতখানি অন্ধকারে রাখা হয়েছে। ইতিহাস এমন কাজ কর্মে জড়িত কাউকেই ক্ষমা করবে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিতে লিখেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। প্রসঙ্গত, মোদি সরকারের মন্ত্রী গাজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াট এর বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে কংগ্রেসের দল ভাঙানোর অভিযোগ উঠেছে।

কংগ্রেসের কথায় বিজেপিতে নরেন্দ্র মোদি অমিত শাহর অনুমতি ছাড়া গাছের পাতা নড়ে না। সেখানে ঘোড়া কেনাবেচায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নাম জড়ানোর পরে প্রধানমন্ত্রী জানেন না সেটা হয় না। অশোক গহলৌত প্রধানমন্ত্রীকে নৈতিক প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিলেন বলেই কংগ্রেসের দাবি। বিজেপির বক্তব্য রাজস্থানের সরকারের এই পরিস্থিতিতে বিজেপির হাত নেই। পুরোটাই কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। শচীন পাইলট এবং তার অনুগামী ১৮ জন নেতার বিধায়ক পদ খারিজের দাবির ব্যাপারে স্পিকার বক্তব্য জানার জন্য নোটিশ পাঠিয়েছিলেন।

রাজস্থান হাইকোর্ট শুক্রবার পর্যন্ত স্পিকারকে কোনো পদক্ষেপ করতে না বলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন স্পিকার সিপি যোশী। তার যুক্তি স্পিকার বিধায়ক পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। হাইকোর্টের নির্দেশে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাই অগ্রসেন গহলৌতের বাড়ি এবং অফিসে ৮ বছরের একটি পুরনো মামলার সূত্রে ই ডি হানা দেয়। রাজস্থানের ছটি গুজরাটের চারটি পশ্চিমবঙ্গের দুইটি এবং দিল্লীর একটি জায়গায় ই ডি হানা দিয়েছে।

কংগ্রেসের যুক্তি মোদি সরকার গহলৌত সরকারের উপর চাপ তৈরি করতে চাইছে। গহলৌত মোদিকে চিঠিতে লিখেছেন দলবদল রুখতে রাজীব গান্ধী সরকারের তৈরি আইন অটল বিহারি বাজপেয়ির জমানায় আরো শক্তপোক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু এখন রাজ্যে রাজ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ঘোড়া কেনাবেচা চলছে। বিজেপি যে রাজস্থানে নির্বাচিত কংগ্রেস সরকার ফেলার চেষ্টা করছে সেটা কি নরেন্দ্র মোদী জানেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত এই প্রশ্ন করলেন।