করোণা সারার কতদিন পর শরীর চর্চা করবেন, জানুন

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

রেস্পিরেটরি ভাইরাসের ধর্ম ফুসফুসকে কম জোর করে দেয়।শরীরের রোগ প্রতিরোধী কোষেরা সাইটোকাইন নামে এমন সমস্ত রাসায়নিক ক্ষরণ বাড়ায় যাদের চাপে ভাইরাস নিঃশ্বাস হলেও প্রদাহের জের চলতে থাকে।সাধারণ ভাইরাস সংক্রমণের তুলনায় কোভিডের ব্যাপারটা আরো বেশি হয়।
রোগ যত জটিল হয় ততো বেশি দিন ধরে চলে।

এই সময় চিকিৎসকরা মনে করছেন খাওয়া-দাওয়া ঘুম ও বিশ্রামের পাশাপাশি অল্প করে হাটা চলা শুরু করা দরকার। সুস্থতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আস্তে আস্তে তা বাড়াতে হবে।তবে তাড়াহুড়ো করা চলবেনা।কোন পর্যায়ে রোগ রয়েছে তার উপর নির্ভর করে ব্যায়ামের রুটিন। ‌20 থেকে 50 বছর বয়সী উপসর্গহীন রোগী যেমন কোয়ারান্টিনে থাকার সময় থেকেই হালকা ব্যায়াম করতে পারেন বলে জানাচ্ছেন ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা।

একটু হাঁটা জগিং করা যেতেই পারে।মৃদু মাঝারি উপসর্গ দের ক্ষেত্রে শরীর ভাইরাস মুক্ত হবার পর ক্লান্তি কমতে শুরু করলে প্রথমে হাঁটাহাঁটি ও প্রাণায়াম দিয়ে শুরু করে শরীরটা কতটা নিতে পারছে তা দেখে স্ট্রেচিং যোগা জগিং সাইক্লিং প্লাঙ্ক করতে পারেন। তারপর কিছুদিন পর থেকে ওয়েট ট্রেনিং শুরু করে দেওয়া যেতে পারে।তবে খেয়াল রাখতে হবে সবটাই শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করতে হবে।