মানুষকে খাইয়ে কৃষকরা অভুক্ত থাকেন, সেটা হবে না : সায়ন্তন

।। প্রথম কলকাতা ।।


এই আইনের ফলে পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা ভারতবর্ষের কৃষকরা যে ভাবে প্রতারিত হচ্ছেন সেটা বন্ধ হবে। এখন কৃষককে বাধ্য করা হয় নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট দামে ফসল বিক্রি করার জন্য। এই আইন আসার ফলে কৃষকের কাছে সুযোগ তৈরি হল। এই কথা বললেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। তিনি আরো বলেন দেশের কৃষকরা স্বাধীনভাবে তাদের ফসল বিক্রি করতে পারবেন।

শিলিগুড়ি, ময়নাগুড়ি, ধুপগুড়ির বড় ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে ৮ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনে নিলেন। কৃষকদের সেখানে বিক্রি করতে হলো। এই কৃষি আইনের পাস হওয়ার পরে কৃষক তার উৎপাদিত পেঁয়াজ বিক্রি করার জন্য ইন্টারনেটের সাহায্যে জানতে পারবেন মুম্বইয়ে তিনি ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে পারবেন। সেখানকার ব্যবসায়ীরা এসে নিয়ে যাবেন। মানুষের অধিকার কৃষকদের অধিকার সুরক্ষিত হবে।

আরো পড়ুন : বাংলা দখল করব,রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি সঙ্গত : অমিত শাহ

এতদিন দেখেছি কৃষকরা মানুষদের খাওয়ান নিজে অভুক্ত থাকেন এখন আর সেটা হবে না। ধানের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য করা হয়েছে ১৮০০ টাকা। সেই টাকার চেক কৃষকদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে ৩০০ টাকা নগদ এ নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাহলে কৃষক পেল ১৫০০ টাকা। এই আইনের পরে কৃষক তার উৎপাদিত ফসল দেশের অন্য যে কোনো রাজ্যের ব্যবসায়ীর কাছে ১৮০০ টাকা দরে বিক্রি করে দিতে পারবেন।

এখানে যে ৩০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হচ্ছিল কৃষকদের কাছ থেকে সেই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের ফান্ডিং করা হতো। তাই তৃণমূল কংগ্রেস এই বিলের বিরোধিতা করছে। কেন্দ্রীয় সরকার কৃষি বিল পাস করার পর থেকেই বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বিরোধিতা শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য এই কৃষি বিলের পরে কৃষকরা যথেষ্ট সমস্যার মধ্যে পড়বেন। বিজেপির পক্ষ থেকে কৃষি বিল এর সমর্থনে প্রচার শুরু করা হয়েছে। এদিন শিলিগুড়ির ময়নাগুড়ি এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে এই কথা বললেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু।