Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

বাংলায় যোগ্য প্রার্থীরা রাস্তায়, অযোগ্যরা তালিকাভুক্ত অর্থের বিনিময়ে, পোস্ট দিলীপের

1 min read

।। সুদীপা সরকার ।।

রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ আগেই দাবি করেছিলেন তাঁরা ক্ষমতায় এলে TET এ নিয়োগ নিয়ে তদন্ত কমিশন বসাবে বিজেপি। এছাড়াও তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্য সরকারের একাধিক দফতরে নিয়োগে কোনও স্বচ্ছতা নেই। এবার এই প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি লিখেছেন, উচ্চ প্রাথমিক, কনস্টেবল এবং ফুড ইন্সপেক্টরের পর এবার বন সহায়ক নিয়োগেও দুর্নীতি। মুখ্য বনপাল ফরেস্ট ফোর্সের প্রধানের নির্দেশ- তথ্যের অধিকার আইনের মাধ্যমে বন সহায়ক নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য জানানো যাবে না।

এখন দুর্নীতির আঁতুড়ঘর মাননীয়ার পশ্চিমবঙ্গ। এখানে যোগ্যপ্রার্থীরা রাস্তায় , অযোগ্যরা তালিকাভুক্ত অর্থের বিনিময়ে। এই পোস্টটিতে একজন লিখেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে টাকার বিনিময়ে চাকরি , এই ট্র্যাডিশন যেন বজায় না থাকে, যুবসমাজ অনেকাংশে ভরসা করছে যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। শেষে সবাই জানো না বলে যে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ দুই সমান। একজন দিলীপের এই মন্তব্য কে সমর্থন জানিয়ে লিখেছেন, রাজ্য সরকারি চাকরি পেতে হলে লবি ,ঘুষ দুটোই দরকার। মেরিটের কোন স্থান নেই। আবার একজন লিখেছেন , বন সহায়ক নিয়োগে যে দুর্নীতি করল সে তো এখন বিজেপি তে। একজন লিখেছেন, কনস্টেবল নিয়োগে দুর্নীতি হয়নি। সবকিছুকে রাজনৈতিক ইস্যু বানাবেন না। আমার ফর্ম ফিলাপ করতে কুড়ি টাকা লেগেছিল।

এর থেকে বেশী আর এক টাকাও খরচ হয়নি। যারা টাকা দেওয়ার পরও চাকরি পায়নি তারা এটাকে দুর্নীতি বলবে। আবার একজন কটাক্ষের সুরে লিখেছেন, তৃণমূলের দুর্নীতি করা নেতা গুলোই বিজেপির সম্পদ হয়ে যাচ্ছে সে দিকে একটু নজর রাখুন। সারদা নারদা দুর্নীতি করা নেতাগুলো মঞ্চে উঠে কিছু বলতে পারছেনা। নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি বারবার হাতিয়ার করছে গত ১০ বছরে চাকরি সেভাবে হয়নি বাংলায়। বেকারত্ব বেড়েছে বাংলায়। রাজ্যে যে যে দফতরে নিয়োগ হয়েছে তাতে দুর্নীতি করেই নিয়োগ হয়েছে দাবি তুলে আসছে বিজেপি। তৃণমূলের উইকেট পতনের জন্য জনসমক্ষে বারবার নিয়োগে দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা এই ইস্যুটাকে বড় করে দেখাতে চাইছে বিজেপি। সেই কারণে দিলীপ ঘোষও নিজের ফেসবুক পেইজে এই বিষয়ে পোস্ট করেছেন।